ভারত বধে যে দুই জায়গায় উন্নতি প্রয়োজন

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ০৩:৩০:১৪

একদিনের ক্রিকেটে সাকিব-তামিমরা নিজেদেরকে টাইগার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে সেই ২০১২ এশিয়া কাপেই। কিন্তু টি টোয়েন্টিতে নিজেদেরকে মেলে ধরতে পারে নি আজও। দেশের মাঠে আরও একটি এশিয়া কাপে নিজেদেরকে এবার টি টোয়েন্টিতেও প্রতিষ্ঠিত করতে চায় মাশরাফি বাহিনী। ডিসেম্বরে জিম্বাবুয়ে সিরিজে পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষ। এবার কি তাহলে জ্বলে উঠার পালা? কিন্তু বাস্তবতা ও পরিসংখ্যান বলছে ভিন্ন কথা।

দুটো জায়গায় উন্নতি প্রয়োজন টাইগারদের। যেটা হলে বিশ্বের যেকোন দলকেই হারিয়ে দিতে পারবে বাংলাদেশ। প্রথমেই উন্নতি করতে হবে ব্যাটিং পাওয়ার প্লের ৬ ওভারের ব্যাটিংয়ে। পরিসংখ্যান বলছে ২০১৪ সালের পর থেকে ব্যাটিং পাওয়ার প্লেতে রান তোলায় বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানরা নিম্নতর দিক থেকে দ্বিতীয়। অর্থ্যাৎ পাকিস্তানের পরেই তাদের অবস্থান। প্রথম ৬ ওভারে টাইগার ব্যাটসম্যানদের স্ট্রাইকরেট মাত্র ১১২।

দ্বিতীয়ত যে জায়গাটিতে উন্নতি করতে হবে সেটি হচ্ছে শেষের ৪ ওভার। রান তোলার জন্য এই ৪ ওভার খুবই গুরুত্বপূর্ন। বড় বড় দলগুলো হরহামেশাই ৫০+ রান তুলে ফেলে এই চার ওভারে। সেখানে আমাদের ব্যাটসম্যানদের অবস্থান পূর্ন সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সবার নিচে। বোঝাই যাচ্ছে টি টোয়েন্টিতে রান তুলার সবচেয়ে বড় দুটো জায়গাতে আমরা দূর্বল । এছাড়া বোলিং ফ্লিল্ডিং নিয়ে তেমন কোন দুশ্চিন্তা নেই। বোলিংতো বলতে গেলে বিশ্বের সেরা তিন চার দেশের একটি হবে। মাশরাফি-মুস্তাফিজ-সাকিব-সানি-আল আমিনদের নিয়ে গড়া বোলিং লাইন আপ যেকোন ব্যাটিং লাইন আপকে ধ্বসিয়ে দিতে পারে।

তাই এই ফরম্যাটে সাফল্য পেতে হলে এই দুটি জায়গায় উন্নতি করতেই হবে। কেবল বোলিং-ফিল্ডিং দিয়ে এটা রিকভার করা সম্ভব নয়। তাই সাফল্য পেতে এবার ব্যাটসম্যানদেরেক শুরুর ৬ ওভার ও শেষের ৪ ওভারে নিজেদের সেরাটা দিতে হবে। আরও খোলাসা করে বললে প্রথম ৬ ওভারে ৫৫+ ও শেষ ৪ ওভারে অন্তত ৪৫+ রান তুলা শিখতে হবে। তাহলে এই ১০ ওভার থেকে আসবে ১০০+ রান আর মাঝের ১০ ওভারে যদি রয়ে সয়েও খেলে তাও চলে আসবে ৭৫+ রান। তাহলে দেখা যাবে ইনিংস হয়ে গেছে ১৭৫+ ! যেকোন ধরনের উইকেটেই সেই রান খুব ভালো ভাবেই ডিফেন্ড করতে পারবেন আমাদের মুস্তাফিজ-মাশরাফিরা। তখন টি টোয়েন্টিতেও সাকিব-তামিমরা হয়ে উঠবেন ওয়ানডের মতই টাইগার।

বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: