রাবিতে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মারামারি, আহত ১

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ২০:২৫:৫৩

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) সৈয়দ আমীর আলী হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে সভাপতি গ্রুপের রানা নামে এক কর্মীকে গুরুত্বর আহত অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেকে) ভর্তি করা হয়েছে। আহত ওই ছাত্রলীগ কর্মী বিশ্ববিদ্যালয় সমাজকর্ম বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ও সৈয়দ আমীর আলী হলের ২১২ নম্বর কক্ষের আবাসিক ছাত্র। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১ টার দিকে হলে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, আমীর আলী হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রপের কর্মী মুকুল খান (অর্থনীতি তৃতীয়বর্ষ) একই থানার শিক্ষার্থী মামুনের (২১২) রুমের বাইরে এসে দরজা ধাক্কা দেয়। ঐ সময়ে মামুন রুমে না থাকায় তার রুমমেট ও (সভাপতি গ্রুপের) ছাত্রলীগকর্মী রানা বিরক্ত হয়। বড় ভাইকে না পেয়ে নিজ রুমে (১১৪) চলে আসলে কিছুক্ষন পরেই সভাপতি গ্রুপের কর্মী রানাসহ বেশ কয়েকজন ছেলে মুকুলের রুমে গিয়ে তাকে দ্বিতীয় তলায় উঠতে নিষেধ করে।

এমনকি উপড়ে উঠলে তাকে দেখে নিবে বলে হুমকি দেয়। কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে রানা, মুকুলকে বেশ কয়েকটি চড়থাপ্পড় মারে। এ ঘটনা সাধারণ সম্পাদকের নিকট পৌছালে তার কয়েকজন কর্মী সভাপতি গ্রুপের কর্মী রানাকে মারপিট করে। পরে সভাপতি গ্রুপের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

এ ব্যাপারে মুকুলের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, থানা সমিতির পিকনিকের টাকা তুলার জন্য এলাকার এক বড় ভাইয়ের রুমে গেলে ভাইকে না পেয়ে আমি রুমে চলে আসি। এর কিছুক্ষন পরেই রানা কয়েকজন ছেলে নিয়ে আমার রুমে উপস্থিত হয়ে বলে তুই আমার রুমে (২১২) বারবার গিয়ে র্ডিস্টাব করিস কেন? এর পরে যেন তোকে দ্বিতীয় তলায় না দেখি। আমি এর জবাব দিতে গেলে তার সাথে থাকা কয়েকজন ছেলে আমাকে বেশ উপর্যুপুরি কিল, লাথি মেরে চলে যায়। পরে বিষয়টি সৈইকত ভাইকে বললে তিনি সেখানে উপস্থিত হন।

সৈয়দ আমীর আলী হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সৈইকত হুসাইন বলেন, সামান্য একটা ঘটনা নিয়ে আমার এক ছোট ভাইকে রানা কিল-ঘুষি মারলে আমি কয়েজন ছেলে নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। এসময় রানার উগ্র স্বভাব দেখতে পেলে আমার একজন কর্মী তাকে কয়েকটি চড়থাপ্প্র মারে।

জানতে চাইলে হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি নাজমুল ইসলাম সজল বলেন, সৈকতের ছেলে বারবার আমার এক বড় ভাইয়ের রুমে গিয়ে র্ডিস্টাব করছিল। রুমে গিয়ে যেন আর বিরক্ত না করে এ বিষয়ে নিষেধ করতে গেলে সৈকত ও তার ছেলেরা মিলে আমার কর্মীকে বেধড়কভাকে পিটিয়ে আহত করে। পরে তাকে উদ্ধার করে মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব হোসেন বলেন, রাতে হলে একটু সমস্যা হয়েছিল। তাৎক্ষনিকভাবে শনাক্ত করা হয়েছে। এছাড়াও সকালে বসে মীমাংসা করে দেয়া হবে বলে জানান তিনি।

বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: