'শিশু হত্যা ও অপহরণ বাড়ছে'

২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ ১৯:১৮:০৪

দেশে সম্প্রতি শিশু হত্যা ও অপহরণের ঘটনায় মানবাধিকার সংগঠন বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। এ বিষয়ে এক বিবৃতিতে সংস্থার চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সিগমা হুদা বলেন, অপরাধীরা নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য ফুলের মতো নিষ্পাপ শিশুদের সহজ লক্ষবস্তুতে পরিনত করছে। এ ছাড়া জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়ায় শিশু হত্যার ঘটনা বাড়ছে।

তিনি বলেন, শিশু নির্যাতন ও হত্যার মতো অপরাধ প্রতিরোধ করতে প্রয়োজন সামাজিক আন্দোলন। সকলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও সচেতনতাইপারে কেবল এই ধরনের সংকট থেকে উদ্ধার করতে। বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার নির্বাহী পরিালক মোস্তফা সোহেলস্বাক্ষরিত এবং ফাতেমা ইয়াসমিনের পাঠানো প্রেস রিলিজে এই তথ্যজানানো হয়।

তিনি সরকারকে শিশু নির্যাতন ও হত্যার বিচার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতেআরো শক্ত পদক্ষেপ নেবার আহবান জানান। শিশুদের সুরক্ষার জন্যআন্তর্জাতিক শিশু সনদের আদলে ২০১৩ সালে যে আইন প্রণয়ন করা হয়েছেতা যথাযথভাবে প্রয়োগ করারও আহবান জানান তিনি।

উল্লেখ্য, চলতি মাসের ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৭ দিনেই হত্যাকান্ডে শিকার হয়েছেঅন্তত ১৪ শিশু। গত মাসে এই সংখ্যা ছিল ২৯। আর গত দেড় মাসে হত্যা করাহয়েছে ৪৫ শিশুকে। দেশে একের পর এক এই শিশু হত্যার ঘটনা অতীতের যেকোনো সময়কে হার মানিয়েছে।

সংস্থা এর কারণ হিসেবে সামাজিক ও পারিবারিক অবক্ষয়, বেকারত্ব, অনৈতিক উচ্চাকাঙ্খা,আকাশ সংস্কৃতির নেতিবাচক প্রভাব, অনলাইন প্রযুক্তির কু-প্রভাব, পর্ণো গ্রাফির প্রসার, অনৈতিক জীবন-যাপন, পাচার, বিরোধ-শত্রুতা,ব্যক্তি স্বার্থপরতা, লোভ, সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা এবংবিচারহীনতার সংস্কৃতি ইত্যাদিকে নির্ণয় করেছে।

সংস্থা এসব ঘটনাগুলোকেদ্রুত বিচারের আওতায় এনে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করারসুপারিশ করেছে। সেই সাথে সামাজিক ও পারিবারিক বন্ধনকে আরোজোরদার, স্কুল পর্যায়ে কাউন্সিলিং, সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয় ছাড়াওসামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে আরো সচেতনতামূলক কার্যক্রম হাতেনেবার সুপারিশ করেছে।

বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: