রাঙামাটিতে পর্যটকদের আকর্ষণীয় স্থান রাজবন বিহার

০১ মার্চ, ২০১৬ ০২:৫৬:৫১

রাঙামাটি পার্বত্য জেলার প্রচীন ও শ্রদ্ধার স্থান বনভান্তের রাজবন বৌদ্ধ বিহার। এই বিহারে পূণ্যার্থীসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা এবং বিদেশ থেকে আগত পর্যটকদের জন্য একটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে ইতোমধ্যে পরিচিতি লাভ করেছে। বৌদ্ধ বিহারটি ১৯৭৪ সনে যখন শ্রীমৎ সাধনানন্দ মহাস্থবির (বনভান্তে) আগমন করেছিলেন তখন প্রতিষ্ঠিত হয়।

এখানে বিভিন্ন ভবন রয়েছে যেমন উপাসনা বিহার, দেশনালয়, ভিক্ষু সংঘের থাকার ঘর, শ্রমনদের থাকার ঘর, বনভান্তের ধ্যানের গোহা, লাইব্রেরিসহ বিভিন্ন স্থাপনা। এই স্থাপনাগুলোর বিভিন্ন কারুকার্য নজরে আসার মত। এগুলো দেখলে যে কোনও পর্যটকের মন কিছুক্ষণের জন্য হলেও ভালো হয় যায়। এছাড়া রাজবন বিহারে মুক্ত প্রাণি বানর এর সাথে যে কোন বয়সের পর্যটকরা খেলা করে যেন অন্য রকম অনুভূতির লাভ করে।

বিহারে ঘুরতে আসা বুলবুল বলেন, রাঙামাটি একটি সৌন্দর্যমন্ডিত স্থান। এখানকার কাপ্তাই হ্রদ ও তার চারপাশের পাহাড় মনকে কিছুক্ষণের জন্য হলেও অন্যদেশে নিয়ে যায়। বুঝাই যায় না আমরা কি বাংলাদেশে আছি না ভিন্ন দেশে। তিনি আরো বলেন, রাঙামাটির অন্যতম সৌন্দর্যর স্থান হচ্ছে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের রাজবন বিহার।

এটির বিভিন্ন ভবন এর কারুকার্য আসলে অনেক সুন্দর। এরকম শৈল্পিক কারুকার্যে নির্মিত কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান যে দেশের মধ্যেই আছে, তা অনেকেরই অজানা। এখানে না আসলে এর সৌন্দর্য ব্যক্ত করা সম্ভব হবে না। তিনি আরো বলেন, এটি একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে এর পবিত্রতা রক্ষা করে চলতে পারলে এই প্রতিষ্ঠানটি দেশের অন্যতম সৌন্দর্যের আধার হবে।

আরেক দর্শনাথী নাদিয়া আক্তার বলেন, রাজবন বিহার অনেক সুন্দর স্থান। আমি এখানে না আসলে বুঝতে পারতাম না এত সুন্দর স্থান বাংলাদেশে আছে। এর সৌন্দর্য সকলের মন কাড়তে বাধ্য।

রাজবন বিহারের কার্যনিবাহী পরিষদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অমিয় খীসা বলেন, এই বিহার ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে বর্তমানে পার্বত্যাঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণীয় ও পবিত্র একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। এটি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের একটি র্তীথ স্থান হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।

এখানে দেশে বিদেশ থেকে অনেকে ছুটে আসে এর সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে। তিনি আরো বলেন, রাঙামাটির মধ্যে এটি একটি অন্যতম পর্যটন স্থান হিসেবে পরিচিত। আমরা চিন্তা করছি এখানে পবিত্রতা রক্ষা করার জন্য নিয়ম-শৃঙ্খলা ঠিক করে আরো পর্যটকদের প্রিয় করা যায় কি না।



বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: