ঢাকা: বর্তমান যুগে বিশ্বজুড়ে বিনিয়োগের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমান সময়ে বাংলাদেশিদের সামনেও তৈরী হচ্ছে বিনিয়োগের সুযোগ। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সামাজিক নিরাপত্তা ইস্যু বিচেনায় নেন বিনিয়োগকারীরা। 

অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড দিন দিন হয়ে উঠছে ব্যবসা ও বিনিয়োগের নিরাপদ স্থান। দেশ দু’টির পক্ষ থেকেও বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ীদের অভিবাসন বিষয়ক শর্ত যেমন শিথিল করা হচ্ছে, তেমনি নিশ্চিত করা হচ্ছে নিরাপদ ব্যবসার প্রেক্ষাপট।

তবে ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যে কোনো সুযোগ গ্রহণের আগে সে সম্পর্কে সতর্কতা অবলম্বন খুবই জরুরি। এমন সাবধানতা থেকেই সব নিয়ম জেনে এবং পদ্ধতি সর্ম্পকে ওয়াকিবহল হয়েই ব্যবসা আর বসবাসের মাইগ্রেশন করতে হবে।

এমনই এক বিশেষজ্ঞ হলেন বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ওয়ার্ল্ড ওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্টস লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও চিফ কনসালট্যান্ট ড. শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ (রাজু)।

ড. শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, অস্ট্রেলিয়ায় এ ধরনের মাইগ্রেশনের ক্ষেত্রে বয়স সর্বোচ্চ ৫৫ বছর এবং নিউজিল্যান্ডের ক্ষেত্রে বয়স সর্বোচ্চ ৬৫ বছর। তবে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিলযোগ্য। এসব দেশে একক মালিকানা অথবা অংশীদার হয়েও বিজনেস ও ইনভেস্টমেন্ট মাইগ্রেশনের সুযোগ নেয়া সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, অস্ট্রেলিয়ায় বিজনেস মাইগ্রেশনের জন্য প্রয়োজন হবে ন্যূনতম আট লাখ অস্ট্রেলিয়ান ডলার। আর ইনভেস্টমেন্ট মাইগ্রেশনের জন্য অস্ট্রেলিয়ান ডলারে ২.২৫ মিলিয়ন এবং নিউজিল্যান্ডে ১.৫ মিলিয়ন ডলার নিজ কোম্পানি একাউন্টে ডিপোজিট রাখতে হবে।

ড. রাজু বলেন, এছাড়াও অস্ট্রেলিয়ায় রয়েছে স্কিলড মাইগ্রেশন। ইনফরমেশন টেকনোলজি, একাউন্টিং ও ফিন্যান্স, বিজনেস ডেভলপমেন্ট, মার্কেটিং এবং সেলসে রয়েছে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ। তবে এক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স, পিএইচডি বা এমবিএ সমমানের হতে হবে। এসবের পরেও আইইএলটিএস পরীক্ষায় নূন্যতম ব্যান্ড স্কোর ওঠাতে হবে ৬ দশমিক ৫। বয়স ২৫ এর নিচে বা ৪০ এর উপরে হলে স্কিলড মাইগ্রেশনের সুযোগ নেই। এই ভিসায় পরিবারকে নিয়ে বসবাসের সুযোগও পাওয়া যায় দ্রুত।

কিন্তু অনেকেই আবেদনের যোগ্যতা ছাড়াই বা বিনিয়োগের অংক না জেনেই প্রক্রিয়া শুরু করছেন এবং মাঝপথে এসে থেমে যেতে হচ্ছে। বুঝে উঠার আগেই কতিপয় এজেন্ট হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা। তাই বিস্তারিত জেনেই আবেদন করার পরামর্শ দেন ড. রাজু।

অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে বিজনেস ও ইনভেস্টমেন্ট মাইগ্রেশন হিসেবে বসবাসের করণীয় জানতে www.wwbmc.com এ ওয়েবসাইটে লগইন করুন অথবা advahmed@outlook.com এবং Raju.advocate2014@gmail.com মেইলে প্রশ্ন করে জেনে নিতে পারেন বিস্তারিত।

এছাড়া +60143300639 মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন। ফেসবুকে কোম্পানির আইডি WorldwideMigrationConsultantsLtd এবং ব্যক্তিগত আইডি Sheikh Salahuddin Ahmed Raju তেও যোগাযোগ করতে পারেন।

বাংলাদেশে যোগযোগ করতে পারেন ০১৯৬৬০৪১৫৫৫, ০১৯৬৬০৪১৮৮৮ এবং ০১৯৭৭০১৪৭৭৮ নাম্বারে।