ঢাকা: সাত খুনের মামলায় কারাগারে থাকা ২৩ আসামিকে আজ সোমবার আদালতে হাজির করা হয়েছে। তাঁদের উপস্থিতিতে মামলার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আদালতের কার্যক্রম শুরুর আগে এজলাস কক্ষ থেকে সাংবাদিকদের বের করে দেওয়া হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেনের আদালতে আজ সাত খুনের দুটি মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল।

সাক্ষ্যগ্রহণ সামনে রেখে সকাল নয়টার দিকে আদালতে প্রধান আসামি সাবেক কাউন্সিলর নূর হোসেন, র‍্যাবের সাবেক কর্মকর্তা তারেক সাঈদ মোহাম্মদ, মেজর আরিফ হোসেন, লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এম এম রানাসহ ২৩ জন আসামিকে হাজির করা হয়। প্রথমে তাঁদের আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। সকাল সোয়া ১০টার দিকে সেখান থেকে আসামিদের আদালতের কাঠগড়ায় নেওয়া হয়। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়।

আদালতে বিচারক আসন গ্রহণের কিছু আগে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) আইনজীবী ওয়াজেদ আলী খোকন বলেন, সাক্ষ্যগ্রহণের কার্যক্রম চলাকালে বাদী, আসামি ও আইনজীবী ছাড়া আর কেউ এজলাসকক্ষে থাকতে পারবেন না বলে আদালতের নির্দেশনা আছে।

প্রধান আসামি নূর হোসেনের আইনজীবী ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খোকন সাহাও একই কথা বলেন। এরপর গণমাধ্যমকর্মীদের আদালতের এজলাসকক্ষ থেকে বের করে দেয় পুলিশ।

প্রথমে তাঁদের আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। পরে সকাল সোয়া ১০টার দিকে সেখান থেকে আসামিদের আদালতের কাঠগড়ায় নেওয়া হয়। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়।

আদালত সূত্র জানা যায়, এই মামলায় একই আদালতে সাক্ষ্য গ্রহণের নির্ধারিত তারিখ ছিল গত ২৫ ফেব্রুয়ারি। ওই দিন নূর হোসেন, আরিফ হোসেন ও এম এম রানাসহ ২২ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। আসামি তারেক সাঈদকে আদালতে হাজির করা হয়নি। এতে অসন্তোষ প্রকাশ করেন আদালত। একই সঙ্গে সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ পিছিয়ে ২৯ ফেব্রুয়ারি ধার্য করা হয়।