এম. সুরুজ্জামান,

শেরপুর প্রতিনিধি :

শেরপুরে ওষুধ ব্যবসায়ীকে মেয়াদ উত্তীর্ন ওষুধ রাখার দায়ে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। আর তারই প্রতিবাদে জেলার ওষুধ ব্যবসায়ী সমিতির সকল সদস্যরা তাদের দোকান বন্ধ রেখেছে।

ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানা যায়,  আজ ২৯ ফেব্র“য়ারী সোমবার দুপুর ১ টার দিকে শহরের সেবা মেডিকেল হলে জেলা প্রশাসনের নিয়মিত কর্মসূচি অনুযায়ী ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয় । পরে সেই ফার্মেসীতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখা ও বিক্রিয় দায়ে ভ্রাম্যমান আদালত ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

কিন্তু জরিমানার টাকা না দেওয়ায় ওই দোকানের পরিচালক আবুল কালামকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। এ ঘটনার প্রতিবাদে শেরপুর কেমিষ্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট সমিতির সদস্যরা শহরের সব ওষুধের দোকান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয়। সেই সঙ্গে এর প্রতিবাদে তারা শহরে বিক্ষোভ মিছিল করে। ওষধের দোকান বন্ধ থাকার কারণে রোগীর জন্য অতি প্রয়োজনীয় জরুরী ওষুধ না পেয়ে মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌছেছে।

এ ব্যাপারে ভ্রাম্যমান আদালতের দ¦য়িত্বে থাকা ও সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো: হাবিবুর রহমান জানান, ভোক্তা আইন ২০০৯ এর ধারা মোতাবেক ওই মেডিকেল হলে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখা ও বিক্রিয় দায়ে এ জরিমানা করা হয় এবং জরিমানার টাকা জমা দেয়াই তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

শেরপুর-জামালপুরের ড্রাগ সুপার সাখাওয়াত হোসেন রাজু আকন্দ জানান, জেলা প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান হিসাবে এটি পরিচালিত হয়েছে বলে জেনেছি। আমি আজ এ অভিযানের সাথে ছিলাম না।
কেমিষ্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট সমিতির সাধারণ সম্পাদক শওকত আকবর পনির জানান, আমরা জেলা প্রশাসকের সাথে আলোচনায় বসেছি। তার সাথে কথা বলে দোকান খুলে দিব।