প্রচ্ছদ / সারাবিশ্ব / বিস্তারিত

অক্সফোর্ডের করোনা টিকা অক্টোবরেই, আশা বিজ্ঞানীদের

   
প্রকাশিত: ৯:১৫ অপরাহ্ণ, ১৬ জুলাই ২০২০

বিশ্ববাসী তাকিয়ে বিজ্ঞানী-গবেষকদের দিকে। টিকা আবিষ্কারের পিছনে ছুটে চলা বিজ্ঞানী-গবেষক বা গবেষণা সংস্থা- কেউই এখনও নির্দিষ্ট করে দিনক্ষণ জানাতে পারেনি। তবে সবার চেয়ে যে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা যে কয়েক কদম এগিয়ে, তা মেনে নিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের পর্যায়ের দিক থেকেই শুধু নয়, ফলাফলেও ব্যতিক্রমী অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানীদের তৈরি করা করোনাভাইরাসের এই টিকা।

চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে, যে কোনও টিকার অত্যাবশ্যকীয় দু’টি উপাদান হলো অ্যান্টিবডি এবং ‘টি-সেল’ রেসপন্স তৈরি করা। কেন? অ্যান্টিবডি শরীরের মধ্যে থাকা ভাইরাস চিহ্নিত করে তার বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং ভাইরাসের কার্যকারিতা নষ্ট করে দেয়। আর ‘টি-সেলস’ শুধু অ্যান্টিবডি তৈরিতে সাহায্যই করে না, ভাইরাসে আক্রান্ত কোষগুলির উপরেও কাজ করে এবং ভাইরাসকে নিষ্ক্রীয় করে দেয়। হাম, সর্দি-কাশির মতো রোগে এই টি-সেল্‌স অত্যন্ত কার্যকর। আবার কোনও ভাইরাসে কেউ এক বার সংক্রমিত হন, তার কোষে ওই ভাইরাসের মেমরি সেল্‌স থেকে যায়। পরবর্তীতে কখনও আবার ওই ভাইরাসের সংস্পর্শে এলে ওই ‘মেমরি সেল’গুলি আগে আক্রান্ত হয়।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষের শরীরে অ্যান্টিবডি খুব বেশি দিন থাকে না। কিন্তু এই টি-সেল্‌স শরীরের মধ্যে বহু বছর পর্যন্ত থাকে। পরবর্তীতে কখনও ওই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে, এই ‘টি-সেল্‌’ গুলোই ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করে এবং তার কার্যক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। সারা গিলবার্টের নেতৃত্বে অক্সফোর্ডের গবেষকদের দাবি, তাদের তৈরি করোনাভাইরাসের টিকা এই ‘টি-সেলস’ তৈরিতেও সক্ষম। মডার্না, ফাইজার, বায়োএনটেকএর মতো বিশ্বের বহু সংস্থা টিকা আবিষ্কারের পিছনে ছুটে চলেছে। তাদের কারও প্রথম বা দ্বিতীয় দফার ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল বা পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু হয়েছে। কিন্তু তাদের মধ্যে কেউ এখনও পর্যন্ত দাবি করতে পারেনি যে, তাদের টিকায় অ্যান্টিবডির সঙ্গে ‘টি-সেল্‌স’ তৈরি হচ্ছে। পাশাপাশি এখনও পর্যন্ত পরীক্ষামূলক প্রয়োগে পাওয়া তথ্যে কারো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হওয়ার নজির নেই।

এসএ/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: