প্রচ্ছদ / স্পোর্টস / বিস্তারিত

অবশেষে আনুশকাকে ব্যাখ্যা দিলেন গাভাস্কার

   
প্রকাশিত: ৪:২১ অপরাহ্ণ, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

ব্যাটিং ও ফিল্ডিংয়ে বিরাট কোহলির ব্যর্থতার পিঠে কথা বলতে গিয়ে সুনীল গাভাস্কার টেনে এনেছেন তার স্ত্রী আনুশকা শর্মার নাম। এ নিয়ে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন কোহলির স্ত্রী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তীব্র প্রতিক্রিয়া হয়েছে। অবশেষে শুক্রবারই আত্মপক্ষ সমর্থনে কথা বলেছেন ভারতের কিংবদন্তি ক্রিকেটার গাভাস্কার। কিংবদন্তি মনে করেছেন, তার কথাকে অন্যভাবে নেওয়া হয়েছে। কোহলির ব্যর্থতার জন্য আনুশকাকে কোনো দায় দেননি তিনি।

শুক্রবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডেকে গাভাস্কার বলেন, ‘যেহেতু আপনারা ধারাভাষ্য থেকে শুনেছেন, আকাশ ও আমি হিন্দি চ্যানেলে ধারাভাষ্য করছিলাম। তখন আকাশ বলছিল যে, এত দিন যথাযথ অনুশীলনের জন্য সবার কাছে খুবই সামান্য সুযোগ ছিল। কিছু ক্রিকেটারের পারফরম্যান্সে মরিচা পড়ার বিষয়টি প্রথম ম্যাচে মূলত ফুটে উঠেছিল। প্রথম ম্যাচে রোহিত ভালোভাবে বল মারতে পারছিল না, ধোনিও পারছিল না এবং বিরাট কোহলিও। বেশিরভাগ ব্যাটসম্যানের এটা হয়েছে অনুশীলনের ঘাটতির কারণে। এটাই ছিল পয়েন্ট এবং বোঝানো হয়েছিল সেটাই। বিরাটও কোনো অনুশীলন করতে পারেনি, কেবল আনুশকার বোলিংয়ের বিপক্ষে বাসার ছাদের ওইটুকুই। আমি এটাই বলেছি। শুধু বোলিং, আমি অন্য কোনো শব্দ ব্যবহার করিনি। সে তাকে বোলিং করেছিল, এটাই। কোথায় আমি তাকে দোষারোপ করলাম? সেক্সিস্টের মতো কোন কথাটা বললাম আমি?’

করোনাভাইরাসের কঠিন এই সময়ে অন্য সবার মতো ঘরবন্দি ছিলেন কোহলিও। যথাযথ অনুশীলনের সুযোগ ছিল না তার। তাই বাসার ছাদে স্ত্রী আনুশকার বোলিংয়ের বিপক্ষে মজার ছলেই করেন ব্যাটিং। যা স্বাভাবিকভাবেই খুব একটা কাজে আসবে না কোহলির, সেটাই বোঝানোর চেষ্টা করেছেন বলে জানালেন গাভাস্কার। তিনি আরও বলেন, ‘আমি বোঝাতে চেয়েছি, লকডাউনে বিরাটসহ কেউই অনুশীলন করতে পারেনি। আমি সেক্সিস্ট কোনো কথা বলিনি। যদি কেউ এটাকে এভাবে ব্যাখ্যা করে, আমি কি করতে পারি? আমি কেবল বলেছি, ভিডিওতে দেখাচ্ছে সে বিরাটকে বোলিং করছে। লকডাউনে ওই বোলিংটাই কেবল খেলেছে বিরাট। এটা ছিল মজার ছলে খেলা, যেটা এই লকডাউনে লোকে সময় কাটাতে করেছে। এটাই। বিরাটের ব্যর্থতার জন্য তাকে আমি দায় দিলাম কোথায়? শেষে তিনি বলেন, ‘আমি একজন যে কিনা সফরে ক্রিকেটারদের স্ত্রী নিয়ে যাওয়ার জন্য সবসময় সমর্থন করেছি। সাধারণ মানুষ ৯টা-৫টা অফিস করে যখন বাসায় ফিরে, স্ত্রীকে পাশে পায়। একই ভাবে, ক্রিকেটাররা যখন সফরে যায়, এমনকি যখন দেশে খেলে, তারা কেন তাদের স্ত্রীদের পাশে পাবে না? কারণ, অন্য সাধারণ মানুষের মতো কাজ শেষে তাদেরও স্ত্রীর কাছে ফেরা উচিত। তাই বলছি, আমি আনুশকাকে দোষ দিচ্ছি না।’

আরএএস/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: