প্রচ্ছদ / রাজনীতি / বিস্তারিত

মো. ইলিয়াস

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

অসত্য কথা বলার ফেরিওয়ালা আপনারা, কাদেরকে রিজভী

   
প্রকাশিত: ১১:৩৬ অপরাহ্ণ, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

ছবি: ইন্টারনেট

ওবায়দুল কাদেরকে উদ্দেশ্য করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কোভিদ রিজভী আহমেদ বলেছেন, বানোয়াট এবং অসত্য কথা বলার ফেরিওয়ালা আপনারা। গত ১১ সেপ্টেম্বর ‘নিউ এজ’ ইংরেজি পত্রিকাটির প্রধান শিরোনাম দেখুন। ৮২ হাজার নয়, ৮৪ হাজার করোনা রোগী সরকারের ডাটাবেজের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। তিনি বলেন, ডিজি হেলথ সার্ভিস কি সরকারী নাকি বিরোধী দলীয় প্রতিষ্ঠান ? এটি প্রত্যক্ষভাবে একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান। তাদের ডাটাবেজ থেকে ৮৪ হাজার রোগীর নাম হারিয়ে গেল কিভাবে ?  মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এই তথ্যটি এমন একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে যেটি জনগণের নিকট বিশ^াসযোগ্য গণমাধ্যম। এই সংবাদ প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে-সরকারী ডাটাবেজে এলাকাভিত্তিক করোনার সংখ্যা ও সংক্রমণের হারেরও তেমন তথ্য নেই। এখন আমি বলতে চাই-উল্লিখিত পত্রিকাটি পাঠ করে।

ওবায়দুল কাদের নিজের আত্মমর্যাদার কথা চিন্তা করে এই মূহুর্তে পদত্যাগ করা উচিত। জনসম্মুখে ডাহা মিথ্যা উল্লেখ করার পর একজন মন্ত্রীর কোনক্রমেই দায়িত্বে থাকা তাঁর মর্যাদার সাথে বেমানান বলেন রিজভী।

তিনি বলেন, সরকার শুরু থেকেই করোনা রোগীর আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে মিথ্যাচার করেছে। জাতির সামনে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরা হচ্ছে না। করোনার টেষ্ট কমিয়ে দিয়ে করোনা রোগী নেই বলে জনগণকে ধাপ্পা দিয়ে বিপদের মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে। এই ধাপ্পাবাজির উদ্দেশ্য হচ্ছে করোনা থেকে জনদৃষ্টিকে অন্যদিকে সরিয়ে রাখা। নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকা দেয়ার জন্য সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকেও মিথ্যাচারের যন্ত্র বানিয়েছে সরকার। করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা প্রতিদিনই বৃদ্ধি পেয়েই যাচ্ছে। এখনও আক্রান্ত ও মৃত্যু সংখ্যার মধ্যে কোন আশার আলো দেখা যাচ্ছে না।

রিজভী বলেন, সরকারী হিসেবে গতকাল করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যায় চীনকে ছাড়িয়ে গেছে বাংলাদেশ।দৈনিক সংক্রমণের পাশাপাশি দৈনিক মৃত্যুতেও অনেক দেশ থেকে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। দেশের মানুষের আশংকা এইভাবে চলতে থাকলে এদেশে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা ভয়াবহ রুপ ধারণ করবে। দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। করোনায় মৃত্যুবরণ ও সংক্রমণে হাসপাতাল কিংবা কবরস্থানেও যেন ঠাঁই নেই।

কেএ/ডিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: