প্রচ্ছদ / রাজনীতি / বিস্তারিত

মো. ইলিয়াস

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

অস্থির সরকার দিয়ে দেশের কোনও ভালো কাজ হবে না: আলাল

   
প্রকাশিত: ৬:৩৫ অপরাহ্ণ, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেছেন, দেশে এখন অস্থির সময় চলছে। এই অস্থির সময়ে স্বস্তির সরকার চাই। এই সরকার হচ্ছে অস্থির সরকার, যন্ত্রণার সরকার, লুটেরা, নিপীড়নের সরকার, ভোটারবিহীন সরকার। সুতরাং এই অস্থির সরকার দিয়ে দেশের কোনও ভালো কাজ হবে না। তিনি বলেন, এই সরকার অনেক সময় অনেক কথা বলে। উন্নয়নের মেট্রোরেল, উন্নয়নের পদ্মা সেতু, উন্নয়নের মহাসড়ক। কিন্তু তাদের ভাওতাবাজি চুরি-বাটপারি একের পর এক বের হয়ে আসছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের উদ্যোগে আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।

আলাল বলেন, ভারতের কৃষক শ্রমিক থেকে বলা হয়েছে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের বিষয়টা হচ্ছে রাজনৈতিক। আমরাও জানি এটা রাজনৈতিক। রাজনৈতিক এই কারণে যে ভারতের যে দেশে পেঁয়াজ বেশি উৎপাদন হয় কিছুদিন পরেই সে প্রদেশ‌ে নির্বাচন। আর নির্বাচনের সময় বিজিবি সরকার মনে করেছে এখন যদি আমি পেঁয়াজ রফতানি করি তাহলে আমার কৃষক ন্যায্য মূল্য পাবে না আমার ভোট কমে যাবে। সুতরাং তারা ঠিক কাজটাই করেছে। বাংলাদেশে জনগণের সরকার থাকলে তাই করত। ভোটের সরকার থাকলে তাই করত। আমাদের এখানে তো বুবুজান দের কোন ভোট লাগে না। ভোট দিয়ে দেয় ইনফর্ম করা লোকেরা, যাদের কলমের ধার আছে তারা। সে কারণে এরা জোরেও কথা বলতে পারেনা। পারে না বলেই আজকে দেশের এই দুর্গতি। এই দুর্গতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে হবে।

‘প্রধানমন্ত্রী বিদেশি মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা দিল সেই সম্মাননা স্মারক থেকে সোনা চুরি হলো, সারাদেশ, সারা বিশ্ব তোলপাড় হলো। প্রধানমন্ত্রী বললেন সোনারুরা তো মায়ের কানের সোনা চুরিও করে তো আমি কি করবো। কি সুন্দর একটা সমাধান দিয়ে দিলেন। সেইদিন চোরদের বিচার হয় নাই। আজ ও পেঁয়াজ চোরদের বিচার হবে না।’

তিনি বলেন, ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পরে সংসদে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী বললেন প্রতিটি এমপি-মন্ত্রীর প্রতিবছর সম্পদের হিসাব দিতে হবে। আজ পর্যন্ত কি এটার কার্যক্রম হয়েছে? কোনও কথা এরা রাখেন না। এরা একেক সময় একেক রকম কথা বলে এদের কথা কেউ বিশ্বাস করবেন না।

বিএনপির এই নেতা ব‌লেন, আমাদের দুর্বলতার কারণে ভারত, চায়না, রাশিয়া সুযোগ নিচ্ছে। মিয়ানমারের মত পিচ্চি একটি দেশ তারাও সুযোগ নিচ্ছে। যেহেতু এই সরকারের জনসমর্থন নেই। তারা জানে সাধারণ মানুষ উত্তেজিত হবে না। আজকে সেই বিদ্রোহ গণতন্ত্রর ভাদদারা রাখার দায়িত্ব যাদের তারা একসময় জেগে উঠবে। তারা হলেন মুক্তিযুদ্ধা আমরা তাদের পাশে থাকবো।

মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত-এর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, শিরিন সুলতানা, সাদেক খান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি নুরুল হক নুর প্রমুখ।

এআইআর/ডিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: