প্রচ্ছদ / স্পোর্টস / বিস্তারিত

রেদওয়ান শাওন

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

পাক-বাংলাদেশ দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি

‘অ্যাঙ্কারিং’ রোল থেকে বের হতে পারবে বাংলাদেশ?

   
প্রকাশিত: ১০:২৮ পূর্বাহ্ণ, ২৫ জানুয়ারি ২০২০

গতকাল শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) পাকিস্তানের মাটিতে বহুল আলোচিত পাক-বাংলাদেশ টি টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে পাঁচ উইকেটে হারার পর আজ শনিবার (২৫ জানুয়ারি) দ্বিতীয় টি টোয়েন্টিতে আবারও স্বাগতিকদের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে বিকেল ৩টায় শুরু হবে দ্বিতীয় ম্যাচটি।

প্রথম ম্যাচ হারলেও বাংলাদেশের একাদশে খুব বেশি পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। তবে ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে। এই ম্যাচে ব্যাটসম্যানদের পারফরম্যান্সের উন্নতি চায় টিম ম্যানেজমেন্ট। সেই সাথে আরও নিয়ন্ত্রিত বোলিং করতে হবে বোলারদের, বলছেন অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। প্রথম ম্যাচে অ্যাঙ্কারিং রোল প্লে করা বাংলাদেশের ওপেনিং জুটির প্রথম উইকেট পড়ে ১১ তম ওভারে। ১১ ওভারে ৭১ রানে প্রথম উইকেট হারানো বাংলাদেশ পরের ৯ ওভারে নিজেদের স্কোরবোর্ডে যোগ করতে পেরেছে মাত্র ৭০ রান! এখানেই ব্যাটিংয়ে নিজেদের অজ্ঞতার পরিচয় তুলে ধরে টাইগাররা। তামিমের ধীর গতির টি টোয়েন্টি খেলা সমালোচনাকে আরও উস্কে দিয়েছে। এদিকে বোলিং ডিপার্টমেন্টে অনিয়ন্ত্রিত বোলিং টাইগারদের হাত থেকে ম্যাচ ছিনিয়ে নিয়ে যায়। ম্যাচে বাজে ফিল্ডিং আর ক্যাচ মিসের মোহড়ায় যেন ভূতুড়ে এক দিন পার করেছে বাংলাদেশ।

ম্যাচ পরবর্তী প্রেস কনফারেন্সে দলের অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ বলেছেন, বল পুরনো হওয়ার পর রানের গতি বাড়ানোয় সমস্যা হয়েছে প্রথম ম্যাচে। প্রথম ১০ ওভারে তাই স্ট্রাইক রেট বাড়িয়ে নিতে হবে তামিম ইকবালদের। সেই সাথে বড় সংগ্রহ গড়তে রিয়াদের নেতৃত্বে আরও আগ্রহী হতে হবে মিডল ও লোয়ার অর্ডার ব্যাটসম্যানদের। মাহমুদুল্লাহ আরও বলেন, ‘শীর্ষ দলের বিপক্ষে জিততে হলে অন্তত আরও ১৫ রান যোগ করতে পারলে ম্যাচের ফলাফল ঘুরে যেত। যা আমরা সামনের ম্যাচগুলোতে করতে চাই।’ এদিকে প্রায় এক যুগ পর পাকিস্তানের মাটিতে সিরিজ খেলছে বাংলাদেশ। নিরাপত্তার অভাবে বাতিল হতে যাওয়া সিরিজটি শেষ পর্যন্ত তিন ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম ধাপে এদিন থেকে শুরু হলো টি-টোয়েন্টি সিরিজ। একই ভেন্যুতে ২৫ ও ২৭ জানুয়ারি গড়াবে সিরিজের বাকি দুটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। সিরিজ শেষে আগামী ২৮ জানুয়ারি দেশে ফিরবে টিম বাংলাদেশ। বাংলাদেশ দলকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে রেখেছে দেশটির ১০ হাজার আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। এই নিরাপত্তা বাংলাদেশ দলের খেলায় মনোনিবেশ করতে বাধার সৃষ্টি করছে কি না তা নিয়েও রয়েছে নানা তর্ক-বিতর্ক।

আরএএস/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: