প্রচ্ছদ / জাতীয় / বিস্তারিত

আগামী বছর থেকেই অবৈধ মোবাইল হ্যান্ডসেট বন্ধ

   
প্রকাশিত: ১১:৫২ পূর্বাহ্ণ, ৩০ অক্টোবর ২০২০

অবৈধ হ্যান্ডসেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে বিটিআরসি। আগামী বছর থেকেই এসব হ্যান্ডসেটের সংযোগ মোবাইল নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করবে বিটিআরসি। এতে করে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে মোবাইল ফোনের আমদানি, বিক্রয় ও ব্যবহার বন্ধ হবে বলে আশা টেলিকম নিয়ন্ত্রক সংস্থার। সেই সঙ্গে বছরে হাজার কোটি টাকার বেশি রাজস্ব ফাঁকি বন্ধ হবে বলছে হ্যান্ডসেট উৎপাদন ও আমদানিকারক সমিতি।

বিটিআরসি জানিয়েছে, এই প্রক্রিয়া শুরু হলে অবৈধ হ্যান্ডসেটে প্রাথমিকভাবে নির্দিষ্ট একটি সিম ছাড়া অন্য কোনো সিম কাজ করবে না। নির্দিষ্ট সময় পরে কোনো সিমই আর কাজ করবে না।

বৈধপথে এলে হ্যান্ডসেটগুলোতে প্রতি ১০০ টাকায় শুল্ক দিতে হতো ৫৭ টাকা। কিন্তু হ্যান্ডসেট উৎপাদন ও আমদানিকারক সমিতির হিসেবে প্রতি বছর দেশে এভাবে শুল্ক ছাড়াই প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার স্মার্টফোন আসছে। এতে, শুল্ক ফাঁকি পড়ছে ১ হাজার ১৪০ কোটি টাকা। সরকারি বিভিন্ন সংস্থার অভিযানেও পুরোপুরি বন্ধ হচ্ছে না এসব আনঅফিশিয়াল ফোনের বিক্রি ও আমদানি।

বিএমপিআই’র হিসেব অনুযায়ী দেশে অবৈধ হ্যান্ডসেটের সংখ্যা প্রায় ৩ কোটি। বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক মো. মেজবাহ উদ্দিন বলেন, অন্য দ্রব্যের সঙ্গে অবৈধভাবে আসছে এসব হ্যান্ডসেট। দেশে মোবাইল ফোনের বাজার প্রায় সাত হাজার কোটি টাকার এরমধ্যে ২ হাজার কোটি টাকার হ্যান্ডসেট আসছে শুল্ক ছাড়াই।

আগামী বছর থেকেই অবৈধভাবে আমদানি করা এসব হ্যান্ডসেটের ব্যবহার বন্ধ করতে চালু হচ্ছে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টার। ২০১২ সালে উদ্যোগ নেয়ার প্রায় ৮ বছর পর এই প্রযুক্তি বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

বিটিআরসি চেয়ারম্যান জহুরুল হক বলেন, অবৈধভাবে এসব হ্যান্ডসেটের ব্যবহার বন্ধ করা গেলে তখন বৈধভাবেই আসবে। এজন্য ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টার পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে।

অবৈধ ফোন কিনে মেমোরি ও চার্জিংসহ বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হচ্ছে ব্যবহারকারীকেও। তবে বিদেশ থেকে ব্যক্তি পর্যায়ে আনা হ্যান্ডসেটগুলো চালু রাখার সুযোগ দিতে পারে বিটিআরসি। এজন্য ক্রয়ের রশিদসহ প্রয়োজনীয় কাগজ দেখিয়ে আইএমইআই নিবন্ধনের সুযোগ মিলতে পারে বলেও জানান বিটিআরসির চেয়ারম্যান।

 

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: