প্রচ্ছদ / রাজনীতি / বিস্তারিত

মো. ইলিয়াস

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

আন্দোলন সংগ্রামের চূড়ান্ত প্রক্রিয়া চলছে: মোয়াজ্জেম হোসেন

   
প্রকাশিত: ৮:০৫ অপরাহ্ণ, ২৮ জুন ২০১৯

আন্দোলন সংগ্রামের চূড়ান্ত প্রক্রিয়া চলছে জানিয়ে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেছেন, এই প্রক্রিয়ার মধ্যে কোন ভুল ত্রুটি নেই। মতের বিপক্ষে গেলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মেনে নেব।

শুক্রবার (২৮ জুন) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে নাগরিক অধিকার আন্দোলন ফোরাম কতৃক আয়োজিত ‘প্রতিহিংসার রাজনীতি ন্যায় বিচার এবং বেগম খালেদা জিয়া’- শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, গণতন্ত্র আর ন্যায় বিচার এই দুটি জিনিস আজ একাকার হয়ে গেছে, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির সঙ্গে। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির সঙ্গে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং ন্যায় বিচার ও আইনের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে দেশ শাসন সেটা একসূত্রে গাঁথা হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, যখন ক্ষমতার দরজাটা খুব বেশি করে খোলা থাকে তখন ন্যায় বিচার জানালা দিয়ে পালিয়ে যায়। বাংলাদেশে তাই হয়েছে। ন্যায় বিচার পালিয়ে যাওয়ার কারনে আজকে বিচারকরা ঘুম থেকে যেগে ওঠে বলেন দেশটাতো এমন ছিলো না, এসব কি হচ্ছে? আপনারা রিফাতের ঘটনা দেখেন নাই, তুফান সরকারের ঘটনা দেখেন নাই, বদরুলের ঘটনা দেখেন নাই, রামুর বৈদ্য মন্দিরের ঘটনা দেখেন নাই, বিশ্বজিতের হত্যা কাণ্ড দেখেন নাই? আপনারা বুঝেন না কেন দেশে কেনো এমন হচ্ছে। দেশে আজও প্রতিবাদী ভাষা আছে, এই দেশে এখনো প্রতিবাদ করার মতো মানুষিকতা আছে। এই দেশে সেই প্রজন্ম আছে যারা সত্য প্রতিষ্ঠা করার জন্য জীবনের ঝুকি নিয়ে দাঁড়িয়ে যায়।

বিএনপির এই যুগ্ন মহাসচিব বলেন, কেউ যদি ফেইসবুকে সরকারের সামান্যতম সমালোচনা মূলক পোষ্ট করে সে যদি সেন্টমার্টিনের ওই প্রবল দ্বিপের মধ্যে অর্ধেক পানিতে ডোবা অবস্থায়ও বসে থাকে তাকে এক ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতার করে সাইবার এ্যাক্টে মামলা এবং সাজা হয়ে যাবে। তিনি বলেন, দেশটাকে এমন একটি প্রতিহিংসা মূলক পরিস্থিতিতে নিয়ে গেছে যার থেকে আমাদের নতুন প্রজন্ম বের হতে পারবে কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।

আলাল বলেন, এ রকম বহু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আছে, চাকরিজীবি আছে যাদের সরকার ও প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করায় জেল খাটতে হয়েছে। তিনি বলেন, প্রতিহিংসা শুধু বিএনপির ওপর নয়, যারা সরকারের সমালোচনা করে তাদের ওপরেও। সরকারের বৈশিষ্ট্য হওয়া দরকার ছিলো সমালোচনা যে করবে সে আমার বন্ধু। আমার ভুল যে ধরিয়ে দেয় বন্ধু। কিন্তু আজকে বন্ধুদেরকে শত্রুতে পরিণত করা হয়েছে, আর শত্রুদের বন্ধুতে পরিণত করা হয়েছে। আর প্রধানমন্ত্রী সেই নিতি অনুসরণ করে চলছে বলেই স্বাভাবিক কারনেই ন্যায় বিচারক এখান থেকে পালিয়ে গেছে।

নাগরিক অধিকার আন্দোলন ফোরাম এর উপদেষ্টা হাজী মোঃ মাসুক মিয়ার সভাপতিত্বে এবং নাগরিক অধিকার আন্দোলন ফোরাম এর সাধারণ সম্পাদক এম জাহাঙ্গীর আলম এর সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমতুল্লাহ, বেগম বিলকিস ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সহ সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ফরিদ উদ্দিন প্রমুখ।

এইচএ/ডিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: