আশুলিয়ায় দুই মাদ্রাসাছাত্রকে নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক আটক

                       
প্রকাশিত: ৮:১২ অপরাহ্ণ, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০
ছবি: ইন্টারনেট

সাভারের আশুলিয়ায় একটি মাদ্রাসায় দুই শিশু শিক্ষার্থীকে হাত-পা বেঁধে মারধর করার অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষক ইব্রাহিম মিয়াকে (৪৫) আটক করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে আশুলিয়ার স্বনির্ভর ধামসোনা ইউনিয়নের শ্রীপুরের নতুননগর মথনেরটেক এলাকায় জাবালে নুর মাদ্রাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

এর আগে গতকাল ওই মারধরের একটি সিসিটিভি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি এবং অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে গ্রেফতারের দাবী ওঠে। এ ঘটনায় নির্যাতিত শিশু রাকিবের পিতা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

আটক ইব্রাহিম কুমিল্লা জেলার হোমনা থানার দুর্গাপুর গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক কুমিল্লা জেলার বাসিন্দা আব্দুল জব্বার। তিনি ওই ছয়তলা বাড়িটির মালিক।

নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থীরা হলো- রাকিব ও মাহফুজ। রাকিব ঘটনার পর থেকে তার গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। অপরদিকে মাহফুজ ঝালকাঠি জেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। সে এখনও মাদ্রাসায় আছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গত ১১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আশুলিয়ার শ্রীপুরের নতুননগর মথনেরটেক এলাকায় জাবালে নুর মাদ্রাসায় শিশু শিক্ষার্থী রাকিব হোসেন ও মাহফুজুর রহমানকে হাত পা বেঁধে অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সামনে প্রকাশ্যে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে ওই মাদ্রাসার শিক্ষক ইব্রাহিম মিয়া। পরে শিশু রাকিবের পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পরে তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইলের একটি হাসপাতালে ভর্তি করে। সোমবার সকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দুই শিশু শিক্ষার্থীকে মারধরের ভিডিও ভাইরাল হলে দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ। পরে গতকাল রাতেই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক ইব্রাহিম মিয়াকে আটক করে পুলিশ।

শিক্ষার্থীরা জানায়, পেটানোর সময় দু’জনই অনেক অনুনয়-বিনয় করে জোড় হাতে মাফ চেয়ে শিক্ষকের হাত থেকে বাঁচার চেষ্টা করেছিল। তবুও শিক্ষক ইব্রাহিম তাদের দুইজনকে ব্যাপক মারধর করেন। এলাকাবাসী জানায়, গত দুই বছর আগে আশুলিয়ার শ্রীপুরের নতুননগর মথনেরটেক এলাকায় জাবালে নুর মাদ্রাসা চালু করেন ওই এলাকার আব্দুল জব্বার। ওই মাদ্রাসায় আগে দুশ শিক্ষার্থী থাকলেও নির্যাতনের কারণে এখন মাত্র ১৪ জন শিক্ষার্থী ও দুইজন শিক্ষক রয়েছে।

আশুলিয়া থানার ওসি এসএম কামরুজ্জামান জানান, এঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কেএ/ডিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।


পাঠকের মন্তব্য:

নিবন্ধন নং- ০০০৩

© স্বত্ব বিডি২৪লাইভ মিডিয়া (প্রাঃ) লিঃ
এডিটর ইন চিফ: আমিরুল ইসলাম আসাদ
বাড়ি#৩৫/১০, রোড#১১, শেখেরটেক, ঢাকা ১২০৭

ফোন: ০৯৬৭৮৬৭৭১৯০, ০৯৬৭৮৬৭৭১৯১
ইমেইল: [email protected]