শাহাদাত হোসেন রাকিব

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ইভ্যালির ব্যাংক লেনদেনে স্থগিতাদেশ বাড়ায়নি বিএফআইইউ

   
প্রকাশিত: ৬:১১ অপরাহ্ণ, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

অনলাইনে পণ্য কেনাবেচার প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ব্যাংক লেনদেনে স্থগিতাদেশ বাড়ায়নি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে গত আগষ্ট মাসে প্রতিষ্ঠানটির ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করে বিএফআইইউ। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন ও এমডি মো. রাসেলের অ্যাকাউন্টও স্থগিতাদেশ দেয়া হয়।

সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে ইভ্যালি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল বলেন, আর্থিক লেনদেনের কার্যক্রম স্বচ্ছ থাকায় মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ বা তদন্ত নিয়ে চিন্তিত নয় ইভ্যালি। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্ত কার্যক্রম শেষ হওয়া পর্যন্ত গ্রাহকদের ধৈর্য্যের সাথে অপেক্ষা করারও অনুরোধ জানাচ্ছি।

তিনি জানান, ইভ্যালির ৯০ শতাংশ পণ্যে কোন অফার নেই। এপ্রিলে করোনার মধ্যে সব বন্ধ থাকায় প্রায় ২ হাজার গ্রোসারি শপ এবং সাড়ে ৭শ’ ফার্মেসিকে অনলাইনে পণ্য বিক্রিতে সহযোগিতা করেছে ইভ্যালি। এক্ষেত্রে ৭ দিনেই পেমেন্ট পরিশোধ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ২১ লাখ পণ্য ডেলিভারি দেয়া হয়েছে। কর্মী সংখ্যা ১৫ জন থেকে ৭শ’ জনে উন্নীত হয়েছে। বর্তমানে ইভ্যালির গ্রাহক ৩৭ লাখ। এ ইকমার্স খাতে বিদেশি বিনিয়োগ আসার বিপুল সম্ভাবনা আছে বলেও জানান তিনি। করোনা মহামারীতে অনলাইন বেচাকেনার গুরুত্ব বিবেচনায় এপ্রিলে ১শ’ কর্মী নিয়োগ দিয়েছে ইভ্যালি।

এদিন মোহাম্মদ রাসেল আরও জানান, অর্থ পাচার সংক্রান্ত যে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেটি সঠিক প্রমাণিত হবে না বলে বিশ্বাস আছে ইভ্যালি কর্তৃপক্ষের। ব্যাংক অ্যাকাউন্টটিও সাময়িক জব্দ করা হয়েছে। ব্যাংক অ্যাকাউন্টের লেনদেন চালু হলে আগের পণ্য সরবরাহ শুরু হবে। আগের সব অর্ডার সরবরাহের জন্য এরইমধ্যে কাজ চলছে। ডেলিভারিতে দেরি হওয়া ছাড়া অনলাইন জায়ান্ট অ্যামাজান, আলিবাবার সাথে কোন পার্থক্য নেই ইভ্যালির। ইভ্যালির সাথে এমএলএম’এর কোন সম্পর্ক নেই।

কেএ/ডিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: