প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

ইরফানের খোঁজ নিতে আসেনি কেউ, খেয়েছেন সরকারি বরাদ্দের খাবার

   
প্রকাশিত: ১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ, ২৯ অক্টোবর ২০২০

গত ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডিতে নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধর ও হত্যার হুমকির ঘটনায় ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে ও ৩০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ ইরফান সেলিম এখন ধানমন্ডি থানার হাজতখানায় তিন দিনের রিমান্ডে আছেন। তার কোনো স্বজন খোঁজখবর নিতে থানায় আসেনি। থানা থেকেই তাকে দুপুর ও রাতের খাবার দেওয়া হয়েছে।

নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় ইরফান সেলিম এবং তার দেহরক্ষী জাহিদকে তিনদিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ধানমন্ডি থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে দুই আমামিকে আদালত থেকে ধানমন্ডি থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।

রাতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ধানমন্ডি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আশফাক রাজীর হাসান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, দুই আসামি ইরফান সেলিম ও তার দেহরক্ষী জাহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। আদালত দুই আসামির তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। দুপুরের পর পরই তাদের ধানমন্ডি থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে তাদের হাজতখানায় রাখা হয়।

তিনি আরো জানান, ইরফানের কোনো স্বজন থানায় তার খোঁজখবর নিতে আসেনি। থানা থেকে বরাদ্দকৃত খাবারই তাকে দেওয়া হয়। দুপুরে ও রাতে দুই বেলায় ভাত তরকারি দেওয়া হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী রাতেই তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

এ বিষয়ে কথা হয় ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরাম আলী মিয়ার সঙ্গে। তিনি জানান, থানার হাজতখানায় আসামিদের খাবারের জন্য সরকার থেকে কিছু বরাদ্দ আছে। সেই বরাদ্দকৃত থেকে ইরফান ও তার দেহরক্ষীকে খাবার দেওয়া হয়েছে।

এআইআর/ডিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: