মোঃ শরীফ আহমেদ

চাঁদপুর প্রতিনিধি

ইলিশে সরগরম চাঁদপুর মাছঘাট

   
প্রকাশিত: ৩:৩২ অপরাহ্ণ, ৮ আগস্ট ২০২০

ছবি: প্রতিনিধি

চাঁদপুরেরর পদ্মা-মেঘনা নদী উপকূলসহ ভাটিতে এবার বর্ষা মৌসুমে জেলেদের জালে ইলিশ ধরা পড়ছে। রুপালী ইলিশের শহর চাঁদপুর মাছঘাট এখন ইলিশে সরগরম। সড়ক ও নদী পথে ইলিশের বড় বড় চালান আসায় সরগরম হচ্ছে রূপালী ইলিশের শহর খ্যাত চাঁদপুর মাছঘাট। ছোট-বড় সব আড়তই বেশিরভাগ ব্যবসায়ীরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে এখন। পুরো ঘাট যেনো ইলিশে সয়লাভ। মাছের ক্রয়-বিক্রয়ে আকারভেদে আলাদা করা ককশীটের বা কাঠের পাত্রে সাজানো, বরফ দিয়ে প্রক্রিয়াজাতকরণ অতঃপর বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ, বেপারীর লেনদেন বুঝিয়ে দেয়া, লোকাল মানুষের ইলিশ কেনার চাপ সবকিছু মিলিয়ে চাঙ্গা চাঁদপুর মাছঘাট। গত কয়েকদিন ভালো যাচ্ছে চাঁদপুরের ইলিশ নির্ভর অর্থনীতি।

আড়তের পরিচালক ফারুক হোসেন দর্জি জানান, গত কয়েকদিন চাঁদপুরের ইলিশের বাজার ভালো হওয়ায় আমাদের শহরের অন্যান্য ব্যবসাও ভালো যাচ্ছে। এ সময় ঘাটে ইলিশ মাছ আসায় জেলে, আড়তদার, শ্রমিক-কর্মচারীর মুখে হাসি ফুটেছে।

চাঁদপুর মৎস্য আড়ৎ মালিকরা জানান, চাঁদপুর থেকে দেশের অনেক জেলাতে ইলিশ সরবরাহ করা হয়। পাশাপাশি শুটকি ইলিশ, লবণ ইলিশ ও ইলিশের ডিমের চালানও এখান থেকে যায়। হাজী আব্দুল মালেক খন্দকার, বাবুল হাজী, আবদুর রব চোকদার, শান্তি ফিসের আনোয়ার গাজী, শবেবরাত কোম্পানী, মেজবাহ মাল, হযরত আলী বেপারী, গফুর জমাদার, কালু ভঁইয়াসহ অন্যান্য সব আড়তদার গত কয়েকদিন ইলিশ ব্যবসা মোটামুটি ভালো যাচ্ছে।

চাঁদপুর মৎস বণিক সমবায় সমিতির সাধারন সম্পাদক হাজী শবে-বরাত জানান, শতাধিক ছোট-বড় আড়তদার, ৫-৭শ’ লেবার, দুই আড়াইশ’ মাছ চালানী ও ব্যবসায়ীসহ আরো আছে বরফ সংশ্লিষ্ট মহাজন, শ্রমিক, পাইকার মিলিয়ে এক থেকে দেড় হাজার মানুষের কর্মসংস্থান শুধু এই মাছঘাট ঘিরেই। গত কয়েকদিন চাঁদপুরের ইলিশনির্ভর অর্থনীতি আগের তুলনায় ভালো যাচ্ছে। চাঁদপুর মাছঘাটে এখন প্রতিদিন গড়ে ৩ থেকে ৪ কোটি টাকা লেনদেন হচ্ছে বলে তিনি জানান।

চাঁদপুর মাছঘাটে শনিবার (০৮ আগষ্ট) বড় ইলিশ (১০০০-২০০০ গ্রাম) পাইকারী প্রতি মণ বিক্রি হয়েছে ৩৮ থেকে ৪৫ হাজার টাকা। মাঝারি আকারের ইলিশ (৭০০- ৯০০গ্রাম ) পাইকারী প্রতি মণ বিক্রি হয়েছে ২৪ থেকে ৩২ হাজার টাকা। আকারে একটু ছোট ইলিশের (৪০০-৬০০ গ্রাম) মণ বিক্রি হয়েছে ১৭ থেকে ২২ হাজার টাকা।

এআইআর/ডিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: