প্রচ্ছদ / সারাবিশ্ব / বিস্তারিত

ইসরাইল সীমান্তে সোলাইমানির ভাস্কর্য নির্মাণ

   
প্রকাশিত: ৫:৪২ অপরাহ্ণ, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০

তেহরান ও লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহর যোদ্ধারা ইসরাইল সীমান্তের কাছে ইরানের কুদস ফোর্সের নেতা কাসেম সোলাইমানির একটি ভাস্কর্য স্থাপন করেছে। ওই ভাস্কর্যটি এমনভাবে বসানো হয়েছে যে, তা ইসরাইলের দিকে ইঙ্গিত করে আছে।

শনিবার( ১৫ ফেব্রুয়ারি) ভাস্কর্য উন্মোচন উপলক্ষে মারুন আল-রাস শহরে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ইসরাইলিদের প্রতি নজর রাখতে সেখানে একটি পর্যবেক্ষণ চৌকিও স্থাপন করেছে হিজবুল্লাহ। একটি বিশাল কার্ডবোর্ড কেটে এই ভাস্কর্য বানানো হয়েছে। এটির পাশেই একটি ফিলিস্তিনি পতাকা উড়তে দেখা গেছে। তার হাত ইসরাইলের দিকে নিশানা করা অবস্থায় রয়েছে।

হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরাল্লাহ বলেছেন, সোলাইমানির মৃত্যু ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার লড়াইয়ের গতি বৃদ্ধি করবে। সোলাইমানির মূর্তি স্থাপনের মাধ্যমে তার প্রতি হিজবুল্লাহর আনুগত্য প্রকাশিত হয়েছে।

এর অর্থ হচ্ছে, হিজবুল্লাহ ও ইরানের লক্ষ্য হচ্ছে ইসরাইলি দখলদারিত্ব থেকে ফিলিস্তিনকে মুক্ত করা। গত বছরে হিজবুল্লাহর সঙ্গে উত্তেজনা বেড়ে গিয়েছিল ইসরাইলের। বিভিন্ন সময় ইহুদিবাদী দেশটিতে হামলারও হুমকি দিয়েছিল হিজবুল্লাহ।

এতে দুই পক্ষের মধ্যে সরাসরি সামরিক সংঘাতেরও শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাব বিস্তারের কেন্দ্রবিন্দুতে থেকে ভূমিকা পালন করেছেন সোলাইমানি। সেক্ষেত্রে হিজবুল্লাহর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল।

গত সপ্তাহে ইসরাইলে হামলা অথবা ইহুদিদের ধ্বংস করে দেয়ার বেশ হুমকি দিয়েছে ইরানের সিনিয়র কর্মকর্তারা। ইসরাইলের বিরুদ্ধে ইরানের যুদ্ধে একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ছিলেন কাসেম সোলাইমানি। গত বছর তিনি একটি সাক্ষাতকার দেন। সেখানে তিনি ২০০৬ সালে ইসরাইলের বিরুদ্ধে হিজবুল্লাহর যুদ্ধে হিজবুল্লাহকে সাহায্য করার কথা বলেন।

কেএ/ডিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: