প্রচ্ছদ / ক্যাম্পাস / বিস্তারিত

ঈদের আগে হঠাৎ ৭০ কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করলো স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি

   
প্রকাশিত: ১১:২০ পূর্বাহ্ণ, ২৬ জুলাই ২০২০

করোনা পরিস্থিতির মধ্যে বেসরকারি স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে গতকাল শনিবার (২৫ জুলাই) ৭০ কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। কোনো ধরনের পাওনাদি পরিশোধ ছাড়াই তাদের বরখাস্তপত্র ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন চাকরিচ্যুত একাধিক কর্মকর্তা। তারা গণমাধ্যমকে বলেন, ঈদের আগে যখন বেতন ও বোনাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন তখন বিনা কারণে তাদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে ঈদের আগে এমন সিদ্ধান্তকে অমানবিক উল্লেখ করে চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

প্রতিষ্ঠানটির জনসংযোগ কর্মকর্তা সুপা সাদিয়া বলেন, ২৩ জুলাই মোবাইলে ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে প্রায় ৭০ জন স্টাফকে ছাঁটাই করা হয়। তবে শিক্ষকদের ছাঁটাইয়ের বিষয়ে জানা নেই। সাদিয়া বলেন, প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত স্টাফ, অনলাইন ক্লাসের টিউশন ফি ছাড় দেওয়া ও মহামারিতে প্রাতিষ্ঠানিক অর্থ স্বল্পতার কারনে ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নেয় প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। এছাড়াও ইউজিসি’র সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী মাসে ধানমন্ডি ছেড়ে সিদ্ধেশ্বরীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থানান্তর করা হলে অধিক স্টাফের প্রয়োজনীয়তা থাকবে না। তিনি বলেন, ছাঁটাই করা স্টাফরা মহামারিকালীন সময় বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। তাদের দিয়ে কোন কাজ করানো হয়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিসের চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা রাজলক্ষ্মী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘গত ৮ বছর ধরে আমি স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি করছি। গত শুক্রবার অফিস থেকে মোবাইলে এসএমএস দিয়ে বরখাস্তপত্র নিতে ডাকা হয়। গতকাল শনিবার অফিসে গেলে পাওনাদি ছাড়াই বরখাস্তপত্র হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘করোনায় আমার স্বামীরও কিছুদিন আগে চাকরি চলে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে দিশেহারা হয়ে পড়েছি। বিশ্ববিদ্যালয় কর্র্তৃপক্ষ রীতিমতো আমাদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করেছে।’ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চাকরিচ্যুত এক কর্মকর্তা জানান, হঠাৎ করে মোবাইলে মেসেজ পাঠিয়ে তাদের বরখাস্তপত্র ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনিতে গত চার মাস ধরে ঠিকমতো বেতন দেওয়া হচ্ছে না। তার ওপরে বেতন ছাড়া ছাঁটাই করাতে মহাবিপদের মধ্যে পড়েছি।

আরএএস/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: