শাহিনুর রহমান শাহিন

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে ঝাড়ু মিছিল

   
প্রকাশিত: ১২:৩৩ অপরাহ্ণ, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলামের অপসারণ দাবিতে ক্যাম্পাসে ঝাড়ু মিছিল করেছে ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পাদদেশ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের পরিবহন চত্বরে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। বিক্ষোভ মিছিলে শিক্ষক -শিক্ষার্থীরা, দুর্নীতির বিষয়ে সরকারের নিরবতা মানি না, মানবো না, আমাদের ক্যাম্পাসে নিপীড়ক থাকবে না, বলে স্লোগান দিতে থাকেন।

বিক্ষোভ মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার সাধারণ সংরক্ষণ পরিষদ জাবি শাখার আহ্বায়ক শাকিল উজ্জামান বলেন, উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস কে ক্যান্টমেন্টে পরিণতি করেছেন। যে উপাচার্য কথায় কথায় পুলিশ ডাকেন উপাচার্য পদে থাকার তার কোন নৈতিকতা নেই। দীর্ঘ দিন ধরে আমরা শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চালিয়ে আসছি, এই উপাচার্যের কাছে আমরা নিরাপদ না এবং আমাদের শিক্ষক রা নিরাপদ না। যতদিন না তিনি অপসারিত হবেন, ততোদিন আমাদের আন্দোলন চলমান থাকবে।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট জাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক সুদীপ্ত দে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কোন অবস্থায় পৌছালে তার অপসারণের দাবিতে ছাত্রদের রাস্তায় নামতে হয়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় যে অবস্থায় এসে দাড়িয়েছে তার দায় স্বয়ং উপাচার্যের।উপাচার্যকে নিয়ে যে দুর্নীতির অভিযোগ এর প্রেক্ষিতে সরকারের পক্ষ হতে যে তদন্তের কথা বলা হয়েছে তার অগ্রগতির কথা এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সহ সারা দেশের মানুষ জানতে চায়।

ছাত্র ইউনিয়ন জাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল রনি বলেন, গত ৫ নভেম্বর শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগ ও কর্মচারীদের হামলার ঘটনা ঘটে,যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে একটি কালো দিন হয়ে থাকবে। তিনি অপসারিত হওয়ার আগ পর্যন্ত এ আন্দোলন চলমান থাকবে। বাংলা বিভাগের অধ্যাপক তারেক রেজা বলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কে কলকঙ্ক মুক্ত করতে আমরা ঝাড়ু হাতে নিয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয় কে কলঙ্ক মুক্ত করতে আমাদের আন্দোলন চলবে এবং আগামীতে আরো কঠোর কর্মসূচি দিবো।

কেএ/ডিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: