প্রচ্ছদ / স্পোর্টস / বিস্তারিত

জুভেন্টাসের বিদায়

এই দলে রোনালদো ‘বড় একা’!

   
প্রকাশিত: ৯:৫০ পূর্বাহ্ণ, ৮ আগস্ট ২০২০

সব কিছুর উর্ধ্বে তিনি একজন মানুষ। তিনি অসংখ্যবার নিজেকে প্রমাণ করেছে। একা পুরো দলকে এনে দিয়েছে পরের রাউন্ডের টিকিট। কিন্তু তবুও সব কিছুর উর্ধ্বে তিনি একজন মানুষ। তাকেও হারতে হয়। তারও সাহায্য দরকার পড়ে। একা তিনি সর্বদা জেতাতে পারবেন না। তবুও চেষ্টা করেছেন নিজের সর্বস্ব দিয়ে। ডিফেন্সের ভুলের মাশুল দিলেন নিজের ‘জুভেন্টাসের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতা’ স্বপ্নটিকে বিসর্জন দিয়ে। বলছি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর কথা। সাবেক ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদের বিদায়ের রাতে দলের হয়ে ২ গোল করেও দলকে পরের রাউন্ডে নিয়ে যেতে পারেনি তিনি।

সমীকরণটা সহজই ছিলো ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর জুভেন্টাসের সামনে। ঘরের মাঠে ম্যাচ, ১-০ ব্যবধানে জিতলে হবে টাইব্রেকার, এর বেশি গোলে জিতলে সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনাল। কিন্তু এক গোল হজম করলেই আবার দিতে হবে দুইটি বেশি। এই শেষের সমীকরণটাই মেলাতে পারেনি জুভেন্টাস, ফলে বেজে গেছে তাদের বিদায়ঘণ্টা। শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাতে ঘরের মাঠে ২-১ গোলে জিতেছে জুভেন্টাস। প্রথম লেগে লিওঁ ১-০ গোলে জেতায় দুই লেগ মিলে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ২-২। পার্থক্য গড়ে দেয় এই ম্যাচের শুরুতে মেমফিস ডিপাইয়ের বিতর্কিত পেনাল্টি।

খেলার ৫ মিনিটেই বিতর্কিত গোলে এগিয়ে যায় লিওঁ। ডি-বক্সে ঢুকে পড়া আউয়ারকে স্লাইড ট্যাকল করেন রদ্রিগো বেন্তানকুর। টিভি রিপ্লেতে পরিষ্কার ট্যাকলই মনে হয়েছে, বলে পা লাগিয়েছিলেনও তিনি। তবে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি, ভিএআরেও সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। ঠাণ্ডা মাথার স্পট কিকে বল জালে পাঠান ডাচ ফরোয়ার্ড ডিপাই। এর কিছুক্ষণ পরই রোনালদোর সফল স্পট কিকে সমতায় ফেরে স্বাগতিকরা। মিরালেম পিয়ানিচের ফ্রি-কিকে বল ডিপাইয়ের বুকের সঙ্গে লেগে থাকা হাতে লাগলে পেনাল্টি দেন রেফারি।

দ্বিতীয়ার্ধের রোনালদোর একক নৈপুণ্যে এগিয়ে যায় জুভেন্টাস। ডি-বক্সের বাইরে বল পেয়ে এক-পা দু-পা এগিয়ে আচমকা জোরালো শট নেন তিনি। বল ঝাঁপিয়ে পড়া গোলরক্ষকের হাতে লেগে জালে জড়ায়। আসরে রোনালদোর এটি চতুর্থ গোল। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে তার মোট গোল হলো রেকর্ড ১৩০টি। চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলে তার গোল হলো ৩৭টি। এরপর আরও এক গোলের অনেক কাছেও গিয়েছিল ইতালিয়ান চ্যাম্পিয়নরা। ৬৮ মিনিটে রোনালদোর ক্রস হেডে বারের উপরে পাঠান হিগুয়েইন। ৭৫ মিনিটে কর্নার থেকে হ্যাটট্রিকের সুযোগ পেয়েছিলেন রোনালদো। তার জোরালো হেডও অল্পের জন্য বারের উপর দিয়ে বাইরে চলে যায়। তাই জিতেও ইউরোপ সেরার মঞ্চ থেকে ছিটকে পড়ার হতাশায় মাঠ ছাড়ে মাওরিসিও সাররির দল। একই সময়ে শুরু হওয়া আরেক ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদকে ২-১ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার-ফাইনালে উঠেছে ম্যানচেস্টার সিটি। দুই লেগ মিলে তারা এগিয়ে গেছে ৪-২ ব্যবধানে।

আরএএস/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: