প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

মেজর (অব.) সিনহা হত্যা মামলা

ওসি প্রদীপসহ ৭ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত

   
প্রকাশিত: ৯:৫১ অপরাহ্ণ, ৭ আগস্ট ২০২০

টেকনাফে পুলিশের গুলিতে অবসর প্রাপ্ত মেজর সিনহার মৃত্যুর মামলার আসামি টেকনাফ থানার সদ্য সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাসসহ সাত পুলিশ সদস্যকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

বরখাস্তকৃত অন্যরা হলেন টেকনাফের বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদ্য সাবেক ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলী, এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত, এএসআই লিটন মিয়া, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন ও আব্দুল্লাহ আল মামুন। গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করে শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বলেন, ওসি প্রদীপ কুমার দাস, পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে পুলিশ সদর দফতর ও বাকিদের জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বরখাস্ত করা হয়।

পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন জানান, টেকনাফ থানার মামলা নম্বর ৯/২০২০, যাহার সিআর মামলা নম্বর ৯৪/২০২০ ইংরেজি (টেকনাফ), মামলায় টেকনাফের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কর্তৃক কক্সবাজার জেলা পুলিশের ৭ সদস্যের জামিন আবেদন নাকচ করে তাদের জেলে পাঠানোর বিষয়টি গত ৬ আগস্ট সন্ধ্যায় জেলা পুলিশ অবহিত হয়। এরপর প্রদীপ কুমার দাশ ও লিয়াকত আলী ইন্সপেক্টর হওয়ায় তাদের পুলিশ সদর দফতর থেকে এবং বাকি ৫ জন যথাক্রমে এসআই নন্দলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন ও এএসআই লিটন মিয়াকে তাৎক্ষণিক চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ৩১ জুলাই রাত সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন স্বেচ্ছায় অবসরে যাওয়া মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। এই ঘটনায় মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খানের বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে প্রদীপ কুমার দাশ, ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলীসহ ৯ জনকে আসামি করে টেকনাফ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৫ আগস্ট সকালে মামলা দায়ের করেন।

৬ আগস্ট টেকনাফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (আদালত নম্বর-৩) এর বিজ্ঞ বিচারক সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহা. হেলাল উদ্দিনের আদালতে চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়া ৭ আসামি আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে বিজ্ঞ বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে সবাইকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

পরে একই আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও)-এর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত আসামি প্রদীপ কুমার দাশ, লিয়াকত আলী ও নন্দলাল রক্ষিতকে ৭ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর ও বাকি আসামিদের ২ দিন জেল গেটে জিজ্ঞাসাবাদ করার আদেশ দেন। মামলাটি তদন্ত করছে র‌্যাব। আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে তারা প্রতিবেদন দাখিল করবে।

এআইআর/ডিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: