এ আর রাশেদ

ইবি প্রতিনিধি

কমিটি বিলুপ্তির দাবিতে ইবি ছাত্রলীগের অবস্থান কর্মসূচী

   
প্রকাশিত: ৬:৫৭ অপরাহ্ণ, ১৪ মার্চ ২০২০

বহিরাগতদের দ্বারা নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটি বিলুপ্তির দাবিতে অবস্থান কর্মসূচী পালন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রলীগের একাংশের নেতাকর্মীরা। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির হস্তক্ষেপ কামনা করে শনিবার (১৪ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিবের পাদদেশে দিনব্যাপী এ অবস্থান কর্মসূচী পালন করেন তারা। এসময় শাখা ছাত্রলীগের কয়েক শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১৪ জুলাই ইবি শাখা ছাত্রলীগের দুই সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। এরপর ওই বছরের ১২ সেপ্টেম্বর কমিটির সাধারণ সম্পাদক আর আই রাকিবের ৪০ লাখ টাকায় কেন্দ্র থেকে নেতা হয়ে আসার অডিও ফাঁস হয়।

এ ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর আন্দোলনে নামেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের একাংশের (পদবঞ্চিত) নেতাকর্মীরা। এরপর তারা ছাত্রলীগ সভাপতি রবিউল ইসলাম পলাশ ও সম্পাদক আর আই রাকিবকে ক্যাম্পাস থেকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন।

পরে সভাপতি-সম্পাদক কয়েকবার ক্যাম্পাসে প্রবেশের চেষ্টা করলে পদবঞ্চিতদের ধাওয়ায় তারা ব্যর্থ হন। ২১ জানুয়ারি তারা তাদের কর্মী ও বহিরাগতদের নিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশের চেষ্টা করলে পদবঞ্চিতদের সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে উভয় গ্রুপের প্রায় ২৫ নেতাকর্মী আহত হন।

সর্বশেষ এই ঘটনার পর শনিবার (১৪ মার্চ) বহিরাগতদের দ্বারা নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটি বিলুপ্তির দাবিতে বিশ^বিদ্যালয়ের মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিবের পাদদেশে অবস্থান নেয় ছাত্রলীগের একাংশের (পদবঞ্চিত) নেতাকর্মীরা।

এসময় ‘৪০ লাখের কমিটি; মানি না মানবো না’, ‘অদক্ষ নেতৃত্ব; মানি না মানবো না’, ‘অনৈতিক কমিটির বিলুপ্তি চাই’, ‘রাকিব-পলাশ কালসাপ; ছাত্রলীগের অভিশাপ’, ‘পলাশ-রাকিবের বহিস্কার ও শাস্তি চাই’ এমন বিভিন্ন স্লোগান সম্বলিত প্লাকার্ড প্রদর্শন করেন তারা।

এ বিষয়ে অবস্থান পালনকারী কয়েকজন কর্মীর সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, বহিরাগত সন্ত্রাসীরা আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করেছে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই। রাবিক-পলাশের কমিটি অনৈতিক পন্থায় হয়েছে। এই কমিটির দ্বারা ভালো কিছু আশা করা যায় না। অবস্থান কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে আমরা এসব বিষয়ে দ্রুত কেন্দ্রীয় কমিটির হস্তক্ষেপ কামনা করছি। অন্যথায় আমরা কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবো।

এ বিষয়ে মতামত জানতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের কাউকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

এমআর/এনই

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: