করোনায় অর্থনৈতিক ক্ষতি মোকাবেলায় সিগারেটের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব

   
প্রকাশিত: ৮:২০ পূর্বাহ্ণ, ৩১ মার্চ ২০২০

করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক ক্ষতি কমাতে এবার সিগারেটের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব করলো অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া অ্যালায়েন্স নামে একটি সংগঠন। রোববার (২৯ মার্চ) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাছে আগামী ২০২০-২১ অর্থবছরের জন্য তামাক কর ও দাম বৃদ্ধি বিষয়ক একটি বাজেট প্রস্তাব পেশ করেছে সংগঠনটি। তারা আগামী বাজেটে সিগারেটের নতুন মূল্য নির্ধারণ ও তামাক পণ্যের উপর সুনির্দিষ্ট কর পদ্ধতি চালুর দাবিও জানায়। এতে তারা বলেন, তামাকের উপর কর বৃদ্ধিতে সরকারের অতিরিক্ত ১০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয় হবে, যা করোনাভাইরাসের প্রার্দুভাব মোকাবেলায় ব্যয় করা যাবে।

তাদের প্রস্তাবে বলা হয়, ৩৭ ও ৬৩ টাকার মূল্যস্তরকে একত্রিত করে নিন্মস্তরে ১০ শলাকা সিগারটের খুচরা মূল্য ন্যুনতম ৬৫ টাকা নির্ধারণ করে ৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক ও ১০ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা। এছাড়া ৯৩ ও ১২৩ টাকা মূল্যস্তরকে একত্রিত করে প্রিমিয়াম স্তরে ১০ শলাকা সিগারেটের খুচরা মূল্য ন্যুনতম ১২৫ টাকা নির্ধারণ করে ৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক এবং ১৯ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা।

অন্যদিকে ফিল্টারবিহীন ২৫ শলাকা বিড়ির খুচরা মূল্য ৪০ টাকা নির্ধারণ করে ৪৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক ও ৬ দশমিক ৮৫ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ করাসহ ফিল্টারযুক্ত ২০ শলাকা বিড়ির খুচরা মূল্য ৩২ টাকা নির্ধারণ করে ৪৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক এবং ৫ দশমিক ৪৮ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দেয়া হয়।

এছাড়াও তারা আগামী বাজেটে ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্যের (জর্দা ও গুল) মূল্য বৃদ্ধি করে প্রতি ১০ গ্রাম জর্দার খুচরা মূল্য ৪০ টাকা এবং প্রতি ১০ গ্রাম গুলের খুচরা মূল্য ২৩ টাকা নির্ধারণ করে ৪৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করার প্রস্তাব দেয়া হয়।

সংগঠনটি প্রতি ১০ গ্রাম জর্দা ও গুলের উপর যথাক্রমে ৫ দশমিক ৭১ টাকা এবং ৩ দশমিক ৪৫ টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ করতে প্রস্তাব করে। পাশাপাশি সকল তামাকপণ্যের খুচরা মূল্যে ১৫ শতাংশ ভ্যাট বহাল রাখার প্রস্তাবও করা হয়।

কেএ/ডিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: