করোনায় নিউইয়র্কে আরও ৪ বাংলাদেশির প্রাণহানি

   
প্রকাশিত: ১:৩৬ অপরাহ্ণ, ২৮ মার্চ ২০২০

নিউইয়র্কে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও চারজন প্রবাসী বাংলাদেশি মারা গেছেন। সেখানকার একটি হাসপাতাল তাঁদের মৃত্যুর খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁদের পরিবারকে সেখানে ভর্তি না করে নিজের ঘরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে। এ নিয়ে নিউইয়র্কে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মোট ১২ জন বাংলাদেশি মারা গেলেন।

একেএম মনির উদ্দিন নামের ৬৩ বছরের একজন ক্যাব চালক ২৭ মার্চ মারা যান। একই দিন সফিউদ্দিন বেপারী নামের ৫৮ বছরের আরেক ব্যক্তি মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার মারা গেছেন ৭৭ বছরের ব্রংক্স এলাকার এক ব্যক্তি। বুধবার মারা গেছেন ব্রুকলিন এলাকার ৪৫ বছরের মোছাম্মদ আক্তদারি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। একইসঙ্গে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের পরিবারকে ঘরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে। এ নিয়ে নিউইয়র্কে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মোট ১২ জন বাংলাদেশি মারা গেলেন।

সাপ্তাহিক বর্ণমালা সম্পাদক মাহফুজুর রহমান জানান, মনির গত ৫ দিন তিনি এলমহার্স্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শুক্রবার কুইন্সের এলমহার্স্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। হলুদ ক্যাব চালিয়ে তিনি জীবন ধারণ করতেন। মনির একই সঙ্গে নিউইয়র্কের একটি মসজিদে স্বেচ্ছায় মুয়াজ্জিন হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। বাংলাদেশ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন বলেন, সফি উদ্দিন চাচা এলমাস্ট হাসপাতালে শুক্রবার মারা গেছেন। তিনি কুইন্সের করোনা অঞ্চলে বসবাস করতেন। বৃহস্পতিবার তার ছেলে মারা গেছে কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে। আমরা তাদের দাফনের ব্যাবস্থা করছি আমাদের তহবিল থেকে। আমরা তাদের পরিবারের সঙ্গে সার্বিক যোগাযোগ রক্ষা করছি এবং তাদের সহযোগিতা করছি।

কমিউনিটি একটিভিস্ট রাজীব আহসান বলেন, ৭৭ বছর বয়সী ওই বাঙলাদেশি মন্টিফেয়ার হাসপাতারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। নঁওগা জেলার ওই ব্যাক্তির পরিবারের আরও ৫ সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা আছে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ধারানা করছে। হাসপাতাল থেকে মৃতের পরিবারকে বাসায় পাঠানো হয়েছে। মন্টিফেয়ার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলেছে, আমাদের হাসপাতালে নতুন রোগীর জন্য পর্যাপ্ত জায়গা নেই। আপনারা গুরুতরভাবে আক্রান্ত হলেই কেবল হাসপাতালে আসবেন। তার আগে নিজের বাসায় থাকবেন দয়া করে। বোর্ড অব ইলেকশনের সদস্য মাজেদা আক্তার বলেন, ব্রুকলিনের বাসিন্দা মোছাম্মদ আক্তদারি নগরীরর ব্রকডেল হাসপাতালে মারা যান। তিনি কোনো কাজ করতেন না। তাই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ধারানা করছে তার পরিবারও আক্রান্ত হতে পারে। তাই তাদেরকে নিজ ঘরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

আরএএস/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: