প্রচ্ছদ / সারাবিশ্ব / বিস্তারিত

করোনা আতঙ্কের মাঝেই বাড়ছে বার্ড ফ্লু সংক্রমণ, নষ্ট করা হল কয়েকশ মুরগি

   
প্রকাশিত: ৫:২৫ অপরাহ্ণ, ২৮ মার্চ ২০২০

করোনা হানার মধ্যে সামনে এল আর এক খারাপ খবর। ভারতে যখন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমে বেড়ে চলেছে তারই মাঝে উঠে আসছে বার্ড ফ্লুয়ের শঙ্কা। আর এটি ঘটেছে প্রতিবেশী রাজ্য বিহারে। পাটনার একাধিক জায়গার নমুনা সংগ্রহ করে দেখা গিয়েছে বিহারের রাজধানীতে ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে বার্ড ফ্লুর হার। যা নিয়ে ইতিমধ্যে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বসেছেন মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার।

আজ শনিবার (২৮ মার্চ) কয়েকশ মুরগি নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। করোনা আতংকের মধ্যেই নতুন বার্ড ফ্লু মানুষের মধ্যে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করবে বলেই মনে করা হচ্ছে। বার্ড ফ্লু মূলত পাখির থেকে এই রোগ ছড়িয়ে পরে। বিশেষত মুরগি থেকে। যে কারণে বিহারে ইতিমধ্যে কয়েক হাজার মুরগিকে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু দ্রুত হারে সংক্রমন বাড়াতে আতঙ্ক বেড়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। গত সপ্তাহে কর্ণাটকে বার্ড ফ্লুর জেরে পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক জায়গাতে পৌঁছে গিয়েছিল।

সেখানেও বেশ কয়েক হাজার মুরগিকে মারা হয়েছিল যাতে এই সংক্রমণ ছড়িয়ে পরতে না পারে। এছাড়া ওই ফ্লু এর সংক্রমণ ছড়িয়ে পরেছে কাকের শরীরেও। শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার অ্যানিমাল অ্যান্ড ফিশারি দফতরের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন। যে সকল জায়গা থেকে সংক্রমণের খবর ইতিমধ্যে পাওয়া গিয়েছে সেই সব জায়গার উপরে নজর রাখার কথাও জানিয়েছেন।

প্রয়োজন পরলে যে কোন রকম পদক্ষেপ যাতে তাড়াতাড়ি নেওয়া হয় সেই নিয়েও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এএফআরডি সেক্রেটারি এন সারভানা কুমার জানিয়েছেন তার দফতরে ইতিমধ্যে পাটনা, নালন্দা এবং নওয়াদা জেলা থেকে বেশ কিছু কাকের মারা যাওয়ার খবর এসেছে। পরীক্ষা করার পরে ওই সকল কাকের শরীরে এই ফ্লু এর কথা জানা গিয়েছে। এ খবর দিয়েছে কলকাতা ২৪।

তিন জেলার বেশ কিছু পোলট্রি ফার্ম কে ইতিমধ্যে নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে। করোনার পরে এবারে বার্ড ফ্লু নিয়ে চিন্তিত বিহার প্রশাসন। অন্যদিকে, গত কয়েকদিন ধরে করোনা আতঙ্কে সাধারণ মানুষ একেবারে মুরগি খাওয়া ছেড়ে দিয়েছিল। যার ফলে দাম তলানিতয়ে এসে পৌঁছে যায়। তবে সম্প্রতি নতুন করে ফের বাজার ধরতে শুরু করেছে। কিন্তু বার্ড ফ্লুয়ের কারণে ফের লোকসানের আতঙ্ক ব্যবসায়ীদের মধ্যে।

এমআর/এনই

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: