প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

খালিদ হাসান

বগুড়া প্রতিনিধি

করোনা সম্পর্কে সর্তকতামূলক বক্তব্য দিতে বলায় মুসল্লিকে পিটালেন ইমাম!

   
প্রকাশিত: ৬:৫২ অপরাহ্ণ, ৭ এপ্রিল ২০২০

প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস সংক্রমনের আশঙ্কায় মহামারি আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এ উপসর্গে সংক্রমিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে আমাদের দেশেও কিছু মানুষ মারা গেছে। দেশকে করা হয়েছে লকডাউন, ঠিক এমন মুহূর্তে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার ময়দানহাটা ইউনিয়নের মোস্তফাপুর বাকসন জামে মসজিদে গত শুক্রবার জুম্মার নামাজ শুরুর আগে সজিদের মুসল্লি পল্লী ডাক্তার জনৈক মাছুম মন্ডল করোনা ভাইরাস বিষয়ে মুসল্লিদের সর্তক করতে ইমাম সাহেব মাওঃ ইউসুফ আলীকে বক্তব্য দিতে বলেন। এ নিয়ে মসজিদের ভেতর ইমাম সাহেব মুসল্লিদের সাথে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন। পরে অন্য মুসল্লিদের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি শান্ত হয়ে যায়। এসময় ওয়াশেম মেম্বার, মতিউর রহমান, সুজন মন্ডল, শাহাদত আলী উপস্থিত ছিলেন।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে ইমাম মাওঃ ইউসুছ আলী ও তার লোকজন পূর্বপরিকল্পিত ভাবে খেলার ব্যাড ও লাঠিছোঠা নিয়ে আবারো, ডাক্তার মাছুম মন্ডলের পরিবারে উপর হামলা চালায়। এসময় মারপিট ও লাঠির আঘাতে মসজিদের সভাপতি ছিদ্দিকুর রহমানের ভাতিজা, সাবুর ছেলে রবিউল ইসলাম (৩৫), সহ সভাপতি মীর্জা আবেদের ছেলে মাহমুদুল(৩৪), মিস্টারের স্ত্রী মোছাঃ মোমেনা (৪৮), মানিক মন্ডল (৩০), মোছাঃ শান্তনা আহত হন। এদের মধ্যে মারাত্মক আহত মাহমুদুল ও রবিউলকে শিবগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

এ ব্যাপারে ডাক্তার মাছুম মন্ডল বলেন, তিনি একজন চিকিৎসক সারাদেশের এই অবস্থায় করোনা উপসর্গ বিষয়ে কিছু বলতে বলায় তার অপরাধ। তিনি আরো বলেন, ইমাম ইউসুফের নেতৃত্বে দুলার ছেলে মোমেন, এনামুল, তফিজার, রুহুল আমীন, মতিন ও জুলফিকার আলী আমার লোকজনকে মারধর করা হয়েছে। এবিষয়ে ইমাম ইউসুফ আলীর সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে ওই মসজিদের মুসল্লি ইউপি সদস্য মোঃ ওয়াশেম মেম্বার মোবাইল ফোনে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, আমি একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবেও ইমাম সাহেবকে করোনা উপসর্গ বিষয়ে বক্তব্য দিতে বলেছি তিনি শোনেন নি।

এমআর/এনই

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: