কীভাবে চিঠিটি ফাঁস হলো ডিএমপি কমিশনারের প্রশ্ন

   
প্রকাশিত: ৮:৪০ পূর্বাহ্ণ, ৭ জুন ২০২০

চিঠিটি ফাঁস হল কীভাবে ? প্রশ্ন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহাঃ শফিকুল ইসলামের। চিঠি ফাঁস হওয়ার বিষয়েও তদন্ত হবে। ঘুষ প্রদানের মতো অনৈতিক প্রস্তাব দেন ডিএমপির এক অধস্তন পুলিশ কর্মকর্তা। এই প্রস্তাবটি দেন খোদ ডিএমপি পুলিশ কমিশনারকে। ডিএমপি পুলিশ কমিশনার ঘুষ প্রদানের প্রস্তাবের কারণে অধস্তন পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি করে দেয়ার জন্য চিঠি লিখেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে। এই চিঠিটিই ফাঁস হয়ে গেছে। ডিএমপি সূত্রে এ খবর জানা গেছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, চিঠি দেয়াটা একেবারেই অভ্যন্তরীণ বিষয়। এই বিষয়ে কথা বলব না। তবে অফিসিয়াল গোপনীয় এই প্রতিবেদন কীভাবে মিডিয়ার কাছে গেছে, সে বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। কমিটি দেখবে কীভাবে এই অফিসিয়াল সিক্রেট আউট হয়েছে।ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার ইমাম হোসেনের কাছে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, কমিশনার স্যারকে ঘুষ অফার করার দুঃসাহস আমার হয়নি। স্যার অনেক ভাল মানুষ। কিন্তু এভাবে কেন অভিযোগ করলেন আমি বুঝতে পারছি না। আমি ডিপার্টমেন্টের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের শিকার।

২০১২ সালে ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার হিসেবে যোগ দেন ইমাম হোসেন। পরবর্তী সময়ে ডিএমপির উপ-কমিশনার (অর্থ) ও উপ-কমিশনার (লজিস্টিকস) পদে দায়িত্ব পালন করেন। পদোন্নতি পেয়ে এখন যুগ্ম কমিশনার হিসেবে লজিস্টিকস বিভাগে কর্মরত তিনি। গত ৩০ মে পুলিশ মহাপরিদর্শকের কাছে একটি চিঠি পাঠান ডিএমপি কমিশনার মোহাঃ শফিকুল ইসলাম। চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, ডিএমপির যুগ্ম-কমিশনার (লজিস্টিকস) মোঃ ইমাম হোসেন দুর্নীতিপরায়ণ। এতে তাকে জরুরিভিত্তিতে বদলির সুপারিশ করা হয়।

চিঠিতে বলা হয়, ডিএমপির বিভিন্ন কেনাকাটায় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। তদুপরি তিনি ডিএমপির কেনাকাটায় স্বয়ং পুলিশ কমিশনারের নিকট ‘পার্সেন্টেজ’ গ্রহণের প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন। ফলে এই কর্মকর্তাকে ডিএমপিতে রাখা সমীচীন নয় মর্মে প্রতীয়মান হয়েছে। ডিএমপি কমিশনারের ওই চিঠি নিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে। পুলিশ সদর দফতরে কর্মরত মিডিয়া সেলের প্রধান সহকারী মহাপরিদর্শক সোহেল রানা বলেছেন, চিঠি যদি আসে, তবে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী পদক্ষেপ নেয়া হবে। পুলিশ সদর দফতরের একজন উর্ধতন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ চিঠিটি পাওয়ার পর অতিরিক্ত আইজি বা ডিআইজির নেতৃত্ব একটি কমিটি করে দিতে পারেন। সূত্র: জনকণ্ঠ

এমআর/এনই

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: