আরমান হোসেন

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

কেউ অনিয়ম করলে ছাড় দেওয়া হবে না: ইসি সচিব

   
প্রকাশিত: ৪:২৯ অপরাহ্ণ, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯

ফাইল ফটো

ইসির সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর সরকারে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। সম্প্রতি ইসিতে যোগদান করার পর বিভিন্ন কাজে স্বচ্ছতার জন্য সব মহলে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি। বিশেষ করে ইসির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা দেখিয়ে আরও প্রশংসা পেয়েছেন। সম্প্রতি সিনিয়র সচিব মো. আলমগীরের বিডি২৪লাইভ লাইভের সঙ্গে একান্তে কথা বলেছেন। তার সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন স্টাফ রিপোর্টার আরমান হোসেন।

বিডি২৪লাইভ: আগে ইসির বিভিন্ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ শোনা যেত। বর্তমানে আপনি দায়িত্ব নেওয়ার পর কোন অনিয়মের অভিযোগ শোনা যায় না। এ বিষয়ে আপনার বক্তব্য কি?
ইসির সিনিয়র সচিব: আগে কি হয়েছে এ বিষয়ে আমি বলতে পারব না। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর আইন অনুযায়ী যা করা প্রয়োজন, আমি তা করছি। আমার যা দায়িত্ব তা পালন করার চেষ্টা করছি। অনিয়ম কিংবা রাষ্ট্রের টাকা অপচয় এসব আমি মানব না। কেউ অনিয়ম করলে ছাড় দেওয়া হবে না বলে আমি স্পষ্ট বলে দিয়েছি।

বিডি২৪লাইভ: সামনে বিভিন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচন। এসব নির্বাচনে আপনাদের প্রস্তুতি কেমন?
ইসির সিনিয়র সচিব: সিটি নির্বাচনের জন্য প্রস্ততি নিয়েছে কমিশন। ডিসেম্বরে তফসিল দিয়ে জানুয়ারির শেষে ঢাকার দুই সিটির ভোট করার পরিকল্পনা রয়েছে। আর চট্টগ্রামে আগামী মার্চ মাসে ভোট করার পরিকল্পনা রয়েছে। কমিশন অনুমোদন দিলে যথা সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বিডি২৪লাইভ: সম্প্রতি ইসির নিয়োগে স্বচ্ছতা নিয়ে কয়েকজন কমিশনার অভিযোগ করেছেন। এ বিষয়ে আপনার মতামত কি?
ইসির সিনিয়র সচিব: স্বচ্ছভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আমার নিয়োগকালীন সময়ে আমার কাছে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। স্বচ্ছতার কোনো অভাব আছে বলেনি। গণমাধ্যম, দল, নেতা, জনগণ, কর্মকর্তা-কর্মচারী কেউ অস্বচ্ছতার কোন অভিযোগ দেয়নি। এরপরও কাজে কোনো অনিয়ম হলে যথাযথ কর্তৃপক্ষ দেখবে। সব কিছু দেখাতে আমার কোন আপত্তি নেই।

বিডি২৪লাইভ: কর্মচারী নিয়োগের বিষয়ে কমিশনারদের কোন কিছু জানানো হয়নি এমন আভিযোগ করা হয়েছে। কেন তাদের জানানো হয়নি?
ইসির সিনিয়র সচিব: কর্মচারী নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়টি নির্বাচন কমিশনারদের অবগত করার বিষয় নয়। সংবিধান, আইন, বিধি ও নিয়মকানুন ফলো করে আমি সব কিছু করি। এ নিয়োগে আইনের কোনো ব্যত্যয় হয়নি। এটা প্রথম নিয়োগ না, প্রতিবারই একইভাবে নিয়োগ হয়েছে। কখনও কমিশনে যায়নি বিষয়টা।

তিনি বলেন, ইসির সার্বিক নিয়ন্ত্রণ সিইসির কাছে ন্যস্ত থাকবে এবং সচিব ইসি সচিবালয়ের প্রশাসনিক দায়িত্ব দেখবেন। আইনের পুরোটাই পড়তে হবে। সিইসি যদি প্রয়োজন মনে করেন, কোনো কিছু জানানোর দরকার; তাহলে উনিই কমিশনকে জানাবেন। এখানে সচিবের জানানোর কিছু নেই। শুধু নির্বাচন সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয়ে পুরো নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করার বাধ্যবাধকতার কথা জানান সচিব।

বিডি২৪লাইভ: ইসির কোন বিষয়গুলো কমিশনকে জানাতে হয় আপনাকে?
ইসির সিনিয়র সচিব: সব বিষয়ে জানানোর বাধ্যবাধকতা নেই। শুধু নির্বাচন সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয়ে অবহিত করতে হবে। প্রশাসনিক হেড সচিব, নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ সিইসি। নির্বাচন সংক্রান্ত যে বিষয় রয়েছে এর পুরোপুরি বিষয় কমিশন থেকে অনুমোদন নিতে হবে। পুরো ইসিও সচিবালয়ের নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ কিন্তু সেটা কীভাবে? সরাসরি নয়, উনারা যদি বলেন, সচিব এ তথ্যটা দেন, তাহলে আমি দিতে বাধ্য। এ নিয়োগ কীভাবে হয়েছে সমস্ত কাগজপত্র দেখান, দেখাতে হবে।

বিডি২৪লাইভ: আপনার মূল্যবান সময় দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।
ইসির সিনিয়র সচিব: আপনাদেরও ধন্যবাদ। শুভকামনা আপনাদের জন্য।

এমআর/এনই

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: