প্রচ্ছদ / রাজনীতি / বিস্তারিত

মো. ইলিয়াস

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

খালেদা জিয়া একজন জীবন্ত কিংবদন্তী: মির্জা ফখরুল

   
প্রকাশিত: ৮:৪৯ পূর্বাহ্ণ, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০

ছবি: ইন্টারনেট

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া একজন জীবন্ত কিংবদন্তী। একজন গৃহবধূ ছিলেন, স্বামী হারিয়েছেন এরপর জনগণের ডাকে সাড়া দিয়ে দেশকে রক্ষার জন্য ঘর থেকে বেরিয়েছেন। সম্প্রতি এক ভার্চুয়াল আলোচনায় বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রাজনীতির যে বীজ বপন করেছেন, সেই বীজকে তিনি (খালেদা জিয়া) লালন করছেন, প্রতিপালন করছেন। তিনি সারা বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদী রাজনীতিকে ছড়িয়ে দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আজকে যখন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে বন্দী, তখনও লক্ষ কোটি মানুষ তার জন্য অশ্রু বিসর্জন করে। তার মুক্তির জন্য রোজা রাখে এবং প্রতি মুহূর্তে তার মুক্তি কামনা করে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও ভরসার স্থল। তারা মনে করেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তাদের গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে দিতে পারেন। তারা মনে করেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কাছে স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব নিরাপদ। বিএনপির কর্মী হিসেবে আমাদের ওপর যে দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে জনগণ আমাদের ওপর যে দায়িত্ব অর্পিত করেছে। সে দায়িত্ব হচ্ছে দেশনেত্রীকে মুক্ত করা। গণতন্ত্রকে মুক্ত করা।

তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া শুধুমাত্র জনগণের নেত্রী ছিলেন বললেই সঠিক বলা হবে না। তিনি একজন অত্যন্ত সফল প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। রাষ্ট্র বিনির্মাণের ক্ষেত্রে তিনি যে ভূমিকা গুলো নিয়েছিলেন সেই ভূমিকা দেশের অর্থনীতিকে শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড় করিয়েছিলেন।

ফখরুল ইসলাম আরও বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার কিছুদিন পূর্বে আদালতে তিনি যখন তার জবানবন্দি দিলেন তখন তিনি পরিষ্কারভাবে বলে দিয়েছেন আমি একজন সাধারণ নাগরিক, রাজনীতি কখনো লক্ষ্যবস্তু নিয়ে আমি আগাইনি। জনগণ আমাকে রাজনীতিতে নিয়ে এসেছে। আমি সেদিন থেকে নিজেকে জনগণের জন্য উৎসর্গ করে দিয়েছি। আর আমার উপর যেকোনো বিপদ আসুক আমি জনগণের স্বার্থ রক্ষার জন্য সেই বিপদকে মোকাবিলা করবো। এটাই ছিল তাঁর মূল কথা যোগ করেন ফখরুল।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়া যখন লন্ডন থেকে আসলেন। তখন বাংলাদেশে রোহিঙ্গারা চলে আসছে। আমরা তাকে বললাম আপনাকে একবার রোহিঙ্গা ক্যাম্প ভিজিট করা দরকার। তিনি রাজি হলেন। আমরা কক্সবাজারে গেলাম পথে পথে লক্ষ লক্ষ মানুষ যাওয়ার সময় এবং ফেরার সময় আমাদের নেত্রীকে নতুন করে উজ্জীবিত করেছেন। যে মানুষ তার সঙ্গে আছেন, আমার বিশ্বাস এই মানুষকে সংগঠিত করে আমরা যদি রাজপথে নামতে পারি। তাহলে গণতন্ত্রবিরোধী সরকারকে সরিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে। এটাই হবে আমাদের লক্ষ্য।

এমআর/এনই

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: