প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

মনজুরুল ইসলাম

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

গফরগাঁওয়ে গৃহবধুকে পিটিয়ে হত্যা, স্বামী ও ভাসুর পলাতক

   
প্রকাশিত: ৯:১৭ অপরাহ্ণ, ১ এপ্রিল ২০২০

ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় তিন সন্তানের জননী জেসমিন আক্তার (৪৩) নামে এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যা করেছে স্বামী। এ ঘটনার পর ঘাতক স্বামী মো. স্বাধীন মিয়া ও ভাসুর ইউপি সদস্য বাবুল পলাতক রয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) উপজেলার পাচুঁয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, স্বামী স্বাধীন মিয়া প্রায়ই জেসমিনকে মারধর করতো। গত তিন মাস আগে স্বাধীন মিয়া ও তার ভাই বাবুল জেসমিনকে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। জেসমিন তার পিতার বাড়িতে আশ্রয় নেয়। একমাস পর সুস্থ হলে পারিবারিকভাবে মীমাংসার পর জেসমিন আবার স্বামীর বাড়িতে ফিরে আসে। জেসমিন স্বামীর বাড়িতে আসলে স্বামী স্বাধীন মিয়া আবারও জেসমিনের প্রতি অত্যাচার, নির্যাতন বাড়িয়ে দেয়।

সোমবার (৩০ মার্চ) রাতে পারিবারিক কলহের জের ধরে লাঠি ও ইট দিয়ে জেসমিনকে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করে তার স্বামী। এরপর মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ভোরে জেসমিনের বড় ছেলে নবী, নবীর চাচাত ভাই সুজন ও চাচী রেনু আরা জেসমিনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখান থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আবার বাড়ি নিয়ে আসেন। জেসমিনের শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন হলে নবী বুধবার সকালে বাড়ির লোকজনের সহযোগীতায় তার মাকে নিয়ে হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। হাসপাতালে নেওয়ার পথে জেসমিনের মৃত্যু হয়।

গফরগাঁও থানার এসআই খায়রুল ইসলাম জানায়, জেসমিনের হাত ও পায়ে আঘাতের চিহ্ন আছে। গলায়ও সামান্য দাগ আছে। জেসমিনের ভাই রুবেল ফকির জানায়, তার বোনকে তার স্বাধীন মিয়া ও বাবুল মেম্বার প্রায়ই মারধর করতো। আমরা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি।

এ ব্যাপারে গফরগাঁও থানার ওসি (তদন্ত) মির্জা মাজহারুল আনোয়ার বলেন, জেসমিনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এমআর/এনই

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: