প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

সুমিত সরকার সুমন

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

গৃহবধূকে খাওয়ানো হল ফিনাইল, উপড়ে নিল নখ

   
প্রকাশিত: ৯:২৯ অপরাহ্ণ, ১৯ জানুয়ারি ২০২০

যৌতুকের ৫ লাখ টাকা দিতে না পারায় এক গৃহবধূকে অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। হাত পা বেধে ফিনাইল খাওয়ানো, হাতের নোখ উপড়ে নেওয়ার মতো নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্বামীসহ শশুড় বাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে। নির্যাতন সইতে না পেরে শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখে শশুড় বাড়ির সদস্যরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে পালিয়ে যায়। এরপর মেয়েটি নিজ পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে শনিবার বিকালে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়।

মুন্সীগঞ্জ সদরের কাজিরকসবা গ্রামে গৃহবধূর আখি আক্তার লাবনী ও রফিকুল ইসলাম হৃদয়ের এক বছরের সংসার। এই ঘটনায় ১৩ জানুয়ারি আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে স্বামী হৃদয়, শ্বশুড় রুহুল আমিন ভূঁইয়া, শাশুড়ি শান্তি বেগম, দেবর রিফাত ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। লাবনী সুখবাসপুর গ্রামের মোঃ রহিম শেখের মেয়ে। সে সরকারি রামপাল কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী।

স্বজনরা জানান, বিবাহের এক বছরের মধ্যে পরিবারে নেমে আসে অশান্তি। শশুড় বাড়ির সদস্যরা যৌতুকের কারনে মেয়েকে নানা ভাবে নির্যাতন করতো। অত্যাচারে চোখে দেখতে পারছে না মেয়েটি। গেল বছরে দুইবার শশুড় বাড়ির লোকজন হাত পা বেধে ফিনাইল খায়িয়ে নির্যাতন করে তাকে। একাধিকবার মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ভর্তি হয়েছে। এছাড়াও হাতের নোখ উঠিয়ে নেওয়ার মতো নির্যাতন করেছে শশুড় বাড়ির লোকজন। নির্যাতনের ব্যাপারে পরিবারের লোকজনকে কিছুই বলতো না মেয়েটি। স্থানীয় থানায় মামলা না নেওয়ায় আদালতে মামলা করা হয়। গুরুতরভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে শশুড় বাড়ির লোকজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে পালিয়ে যায়। এরপর সেখান থেকে মেয়ের পরিবারের লোকজন গতকাল মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।

এসএ/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: