প্রচ্ছদ / অপরাধ / বিস্তারিত

গ্রেফতারের পর সাহেদকে গণধোলাই দিতে চেয়েছিল এলাকাবাসী

   
প্রকাশিত: ১১:৩২ পূর্বাহ্ণ, ১৫ জুলাই ২০২০

করোনা পরীক্ষা না করেই সার্টিফিকেট প্রদানসহ বিভিন্ন অভিযোগে রিজেন্ট হাসপাতালের বিরুদ্ধে গত ৮ জুলাই মামলা করে র‌্যাব। আজ বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে সাতক্ষীরা সীমান্ত থেকে অবৈধ অস্ত্রসহ প্রতারণা মামলার প্রধান পলাতক সাহেদকে গ্রেফতার করে র‍্যাব। গ্রেফতারের পর রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদকে গণধোলাই দিতে চেয়েছিল এলাকাবাসী। এরকম একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এবং ভিডিওতে দেখা যায় এক লোক লাঠি দিয়ে সাহেদকে আঘাত করছে। অপর একজন বলছে, ‘সবাই মিলে একে মারা উচিত।’

র‍্যাব জানায়, দালালদের মাধ্যমে সীমান্ত পার হয়ে পালানোর চেষ্টা করছে সাহেদ এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালায় র‍্যাব। সারারাত অভিযান শেষে সকাল ৫.১০ মিনিটে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় সাহেদর সাথে ৩ রাউন্ড গুলিসহ অবৈধ পিস্তল পাওয়া যায়। র‍্যাব আরও জানায়, বোরকা পরে নৌকায় করে পালিয়ে যাচ্ছিল সাহেদ। নৌকায় উঠার আগে নদীর পাড় থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় সাহেদকে পারপার করা নৌকার মাঝি সাঁতরে পালিয়ে যায়। সাহেদ মোটা থাকার কারণে দৌড়ে পালাতে পারেনি বলে জানায় র‍্যাব। র‍্যাব বলেন, ‘সাতক্ষীরায় সাহেদ ঘন ঘন অবস্থান পরিবর্তন করছিল। যাতে চিনতে না পারা যায় এজন্য চুলের রং সাদা থেকে কালো করে সাহেদ। গোঁফ কেটে ফেলেছিলো। তার পরিকল্পনা ছিলো মাথা ন্যাড়া করে ফেলা।’ এদিকে সাহেদের গ্রেফতারের পর দেবহাটা উপজেলার কোমরপুর গ্রামবাসী আনন্দমিছিল করেছে। এসময় এলাকা বাসী স্লোগান দেয়, চোরের দশদিন গৃহস্থের একদিন। গ্রামবাসী সাহেদকে গ্রেফতার করায় র‍্যাবকে ধন্যবাদ জানায়।

আরএএস/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: