প্রচ্ছদ / স্পোর্টস / বিস্তারিত

ঘূর্ণিঝড় আমফানে প্রাণে বেঁচে গেছেন সৈয়দ রাসেল

   
প্রকাশিত: ৩:৫৪ অপরাহ্ণ, ২২ মে ২০২০

ঘূর্ণিঝড় আমফানের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পুরো দেশ। শক্তিশালী এই ঝড়ে প্রাণও হারিয়েছে অনেক মানুষ। এবার জানা গেল, মর্মান্তিক সেই রাতে কোনরকম প্রাণে বেঁচেছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার সৈয়দ রাসেলও। রাসেল জানে বাঁচলেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার এগ্রো ফার্মটি। সেখানকার দুইটা ঘরের টিনের চালা উড়ে গেছে। ঝড়ের রাতে এই ফার্মেই আটকা পড়েছিলেন রাসেল।

নিজের বেঁচে যাওয়া নিয়ে রাসেল সংবাদমাধ্যমকে জানান, ‘ঝড়ের সময় আমি আমার খামারেই উপস্থিত ছিলাম। সেদিন ঝড়ের মাত্রা এত বেশি ছিল যে, আসলে সেখানে থাকার মত অবস্থা ছিল না। এমন হয় যে আমাদেরসহ উড়িয়ে নিয়ে যায়। আমরা ওখানে তিনজন ছিলাম।’ তিনি আরও বলেন, ‘এর আগে সেখানকার নৈশ প্রহরী যিনি ছিলেন, উনি আমার কাছ থেকে দা নিয়ে গেছেন রাস্তায় পড়ে থাকা ডালপালাগুলো পরিষ্কার করার জন্য। সে যাওয়ার পরে যখন বুঝলাম অবস্থা বেগতিক, তখন তো আমরা চলে গেলাম নিরাপদ স্থানে। এটা আবার উনি জানে না। উনি যখন এসে আমাদের খুঁজে পায়নি, পাশে আমার নানার বাড়ি ছিল সেখানে গেছে খোঁজ করতে। সেখানেও না পেয়ে সে বলেছে রাসেল হারিয়ে গেছে। পরে সবাই খোঁজাখুঁজি করেছে আমাদের। মসজিদেও যেয়ে খুঁজেছে। তখন রাত ২টার মত বাজে। পরে তো ঝড় থামলে আমরা বের হয়ে আসলাম। সবাই অনেক আতঙ্কিত ছিল।’

আমফানের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে রাসেলের খামার। এ প্রসঙ্গে রাসেল বলেন, ‘আমার এই ফার্মে দুইটা চালা আছে। একেকটা চালা লম্বায় প্রায় ৮০ ফুট। ঝড়ের ফলে দুইটা চালা উড়ে গেছে। যে চালার নিচে গরু থাকে, ওটার তো কোন অস্তিত্ব নাই, সব ভেঙে পড়েছে গরুর গায়ের উপরে। পরের দিন সকালে ওগুলো সব কেটে-ছিঁড়ে সরিয়ে তারপর গরু গুলো আমি বের করেছি। আল্লাহর অশেষ রহমতে গরু গুলোর খুব বড় ধরনের কোনো ক্ষতি হয়নি। সর্বমোট ১৯টি গরু ছিল। সবগুলোই মোটামুটি ভালো আছে।’

আরএএস/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: