প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

চাকরি হারানোর ক্ষোভেই ইউএনওর ওপর হামলা

   
প্রকাশিত: ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০

ছবি : সংগৃহীত

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা ওমর আলী শেখের ওপর হামলার ঘটনায় দ্বিতীয় দফায় তিন দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবাননন্দি দিয়েছেন রবিউল ইসলাম।

রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ৩টার সময় ইউএনও অফিসের সাবেক মালি আসামি রবিউল ইসলাম (৪২) দিনাজপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত-৭-এর বিচারক ইসমাইল হোসেনের কাছে দায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। এ সময় তিনি জানান, ক্ষোভ থেকে একাই এ ঘটনা ঘটিয়েছেন এবং তিনিই একমাত্র পরিকল্পানাকারী, হামলাকারী।

জানা গেছে, সকাল ১০টায় দিনাজপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত-৭ এর বিচারক ইসমাইল হোসেনের আদালতে তোলা হয় রবিউলকে। আদালতে তোলার ৩ ঘণ্টা পর বিচারকের সামনে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি প্রদান করেন রবিউল। জবানবন্দির পর রবিউলকে দিনাজপুর জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির ওসি ইমাম জাফর বলেন, রবিউল স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়ার বিষয়ে সম্মতি জানায়। তাই রবিউলকে আদালতে নিয়ে আসা হয়। আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইসমাইল হোসেনের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন রবিউল। জবানবন্দিতে রবিউল জানান ক্ষোভ থেকে তিনি একাই এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। গত জানুয়ারিতে ইউএনও ওয়াহিদা খানমের ব্যাগ থেকে টাকা চুরির অভিযোগে রবিউলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এ কারণে রবিউল ক্ষুব্ধ হন। ১ সেপ্টেম্বর তাকে চাকরি থেকে চূড়ান্ত বরখাস্ত করা হয়। এতেই রবিউল ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে হত্যার সিদ্ধান্ত নিয়ে হামলা করেন।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে রবিউল ইসলাম জানিয়েছেন, এ ঘটনার একমাত্র পরিকল্পনাকারী এবং হামলাকারী তিনি নিজেই। আক্রোশ থেকেই এ ঘটনা ঘটিয়েছেন তিনি। তার দেয়া তথ্যমতে হামলায় ব্যবহৃত হাতুড়ি, লাঠি, মই, চাবিসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে তার পরনের প্যান্ট, হাতের ছাপসহ মোবাইলের লোকেশন আলামত হিসেবে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এসব আলামত বিচারকার্যে সহায়ক হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গত ৯ সেপ্টেম্বর সন্দেহভাজন ও প্রযুক্তির সহায়তার রবিউল ইসলামকে নিজ বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নিজের দোষ স্বীকার করেন।

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: