প্রচ্ছদ / সারাবিশ্ব / বিস্তারিত

চীনে ছড়াচ্ছে রহস্যময় ভাইরাস, আক্রান্ত অসংখ্য!

   
প্রকাশিত: ৫:০০ অপরাহ্ণ, ১৮ জানুয়ারি ২০২০

পাঁচ দিনের মধ্যে ফুসফুসে সংক্রমণ। তার পরেই একাধিক অঙ্গ বিকল। সবশেষে মৃত্যু। এক রহস্যময় ভাইরাসের হানায় এ ভাবেই চীনে প্রাণ হারিয়েছেন দু’জন। আক্রান্ত আরও বহু মানুষ। ইতিমধ্যেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে চীনে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন কমপক্ষে ১৭০০ জন। তবে প্রকৃতপক্ষে এই সংখ্যা আরও বেশি বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক নেইল ফার্গুসন।

প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, মধ্য চীনের উহানে ৬৯ বছর বয়সি এক ব্যক্তি মারা গিয়েছেন ওই ভাইরাসের হানায়। এই অঞ্চলটিকেই ‘সার্স’ (সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরাটরি সিন্ড্রোম)-এর জীবাণু সংক্রমণের ‘এপিসেন্টার’ বা উৎসস্থল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আতঙ্কের বড় কারণ ‘সার্স’-এর ভয়াবহতা আগেও দেখেছে বিশ্বের সব চেয়ে জনবহুল এই দেশ। ২০০২ থেকে ২০০৩ সালে চীনের মূল ভূখণ্ডে ৩৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল। হংকংয়ে মারা যান আরও ২৯৯ জন। এ বারে ইতিমধ্যেই ৪১ জনের আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলেছে।

নিউমোনিয়া ও তার সঙ্গে এই ভাইরাসে জোড়া আক্রমণ। উহানের স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, চিকিৎসায় সাড়া দিয়েছেন ১২ জন। তারা হাসপাতাল থেকে ছাড়াও পেয়েছেন। কিন্তু ৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সর্বশেষ যিনি মারা গিয়েছেন, তার রোগ ধরা পড়েছিল গত বছর ৩১ ডিসেম্বর। পাঁচ দিনের মধ্যেই অবস্থার ভয়াবহ অবনতি ঘটে। ফুসফুসে যক্ষ্মা বা টিবি-র সংক্রমণ। শেষে শরীরের একাধিক অঙ্গ বিকল হয়ে মৃত্যু।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, রহস্যময় ভাইরাসটি করোনাভাইরাস পরিবারের হতে পারে। এই ভাইরাসেরা কখনও কখনও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। সামান্য সর্দিজ্বরকে ‘সার্স’ বা ‘সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরাটরি সিন্ড্রোম’-এর মতো ভয়াবহ রোগে রূপান্তরিত করতে পারে। ‘সার্স’-এর খবর প্রথম মিলেছিল ২০০২ সালে, দক্ষিণ চীনে। এর পরে পৃথিবীর অন্তত ৩৭টি দেশ থেকে আট হাজার মানুষের আক্রান্ত হওয়ার খবর মেলে। ৮০০ লোক মারা গিয়েছেন ‘সার্স’-এ। এক সময়ে ভাইরাসটি নিয়ন্ত্রণে আনার ‘সুখবর’ দিয়েছিলেন বিশেষজ্ঞরা। নয়া রিপোর্টে নতুন করে চিন্তায় চিন প্রশাসন।

এসএ/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: