ছাত্রাবাসে নববধূকে গণধর্ষণ: আসামিদের ধরতে সীমান্তে নজরদারি

   
প্রকাশিত: ৩:৪২ অপরাহ্ণ, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

স্বামীকে বেঁধে রেখে সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে নববধূকে গণধর্ষণ মামলার আসামিদের গ্রেফতারে সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় সর্তকবার্তা পাঠানোর পাশাপাশি জেলা পুলিশ ও মহানগর পুলিশের আওতাধীন সব থানাকে সর্তক থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এরইমধ্যে মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমানকে রোববার সকাল ৮টার দিকে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা নোয়ারাই খেয়াঘাট এবং ৪ নম্বর আসামি অর্জুন লস্করকে হবিগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সিলেট মহানগর পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার (গণমাধ্যম) জ্যোতির্ময় সরকার বলেন, ‘পুলিশ ধর্ষণ মামলার আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে। তাদের নানা বিষয় খোঁজ নেয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে মাঠে পুলিশের একাধিক টিমও কাজ করে যাচ্ছে।’

সিলেট জেলা এসপি মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন বলেন, ‘সিলেট জেলা পুলিশের আওতাধীন সব থানাকে সর্তক থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এছাড়া আসামিরা যাতে সীমান্ত এলাকা ব্যবহার করে পালাতে না পারে, সেজন্য সর্তক থাকতে বলা হয়েছে থানা পুলিশকে। এছাড়া ধর্ষণ মামলার আসামিদের গ্রামের বাড়িতেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সম্ভাব্য বিভিন্নস্থানেও অভিযান চালাচ্ছে পুলিশের একাধিক টিম। ধর্ষণকারীদের গ্রেফতারের মহানগর পুলিশের সাতটি টিম বিভিন্ন ধাপে কাজ করে যাচ্ছে।’

এরআগে, শুক্রবার এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হন এক গৃহবধূ। রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্বামীর কাছ থেকে ওই গৃহবধূকে জোর করে তুলে নিয়ে ছাত্রাবাসে ধর্ষণ করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় কলেজের সামনে তার স্বামীকে আটকে রাখে দুজন। এ ঘটনায় ভিকটিমের স্বামী শাহপরান থানায় মামলা করেন। মামলা ছাত্রলীগের ৬ নেতাকর্মীসহ অজ্ঞাত আরো তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।

আরএএস/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: