প্রচ্ছদ / বিনোদন / বিস্তারিত

‘জায়েদ মিশা ডিপজল ভাইয়ের লিগা শিল্পীরা ঈদ করতে পারতাছে’

   
প্রকাশিত: ৭:১৮ অপরাহ্ণ, ২৫ মে ২০২০

জায়েদ ভাই তারে আমি মন থিকা দোয়া করি ভাই, সেই করোনার দুঃসময়ে হ্যায় যদি চেষ্টা না করতো তাহলে কত শিল্পীরা না খাইয়া মরতে হইতো। তার লিগা ঈদ করতে পারতাছে অনেক শিল্পী। মিশা ভাইয়ের সহযোগিতা না থাকলে কী হইতো? আর ডিপজল ভাইয়ের কথা কী কমু, সে তো দিল দরিয়া মানুষ। জায়েদ ভাই মিশা ভাইয়ের পাশে সবসময় ডিপজল ভাই ছিল এইজন্য আইজকা শিল্পীরা ঈদ করতে পারতাছে- কথাগুলো বলছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের খল অভিনেতা নিরঞ্জন রায়। ঈদের আগেরদিন কালের কণ্ঠের সঙ্গে আলাপকালে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান, সভাপতি মিশা সওদাগার, সহ সভাপতি মনোয়ার হোসেন ডিপজলের প্রতি এভাবেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন নিরঞ্জন।

নিরঞ্জন বলেন, ‘এই লকডাউন হইয়া যাইবার পর আমগো কাজ কাম বন্ধ হইয়া গ্যাছে ভাইজান। ধরেন আমি দরিদ্র না, সৃষ্টিকর্তা দিলে আমি চলতে পারি। কিন্তু ফিলিম ইন্ডাস্ট্রির অনেক শিল্পীর তো কাজ কাম নাই। অ্যাগো খাওন কই থিকা আইবো। এই সময় যদি জায়েদ ভাই উদ্যোগ না নিতো তাইলে ধরেন আমগো প্যাটে খাওন আইতো কই থিকা আর ঈদ করতো কীভাবে। জায়েদ ভাই বিভিন্ন জায়গা থিকা অনুদান নিয়া আইছে। মিশা ভাই সব ধরনের হেল্প করছে। আর ডিপজল ভাই যখন যা লাগছে দিছে। আমরা সলে শিল্পীরা তাগো কাছে কৃতজ্ঞ।’

খল অভিনেতা নিরঞ্জন ১৯৮০ সালের দিকে পোস্তগোলায় মোটর পার্টসের দোকান দিয়েছিলেন। নিজের একটা ফ্যাক্টরি ছিল। সেখানে গাড়ির কিছু পার্টস তৈরি করা হতো। কিন্তুই এর বাইরে কিন্তু মন পড়ে থাকতো তার চলচ্চিত্রে। চলে যান মার্শাল আর্ট শিখতে। ভর্তি হন ঢাকার টিপু সুলতান রোডের ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলমের ক্লাবে। ১৯৮৩ সালে ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলমের সাথে সখ্য তৈরি হয়ে যায়। তিনিই নিয়ে আসেন চলচ্চিত্রে। ১৯৮৪ সালে ‘তালাচাবি’ ‘পয়সা পয়সা’ ‘দশ গ্রামের মোড়ল’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে রাতারাতি পরিচিত হয়ে ওঠেন। এরপরে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। এখন পর্যন্ত এক হাজার চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। অভিনয় করেছেন অসংখ্য টেলিভিশন নাটকে।

নিরঞ্জন বলেন, যারা আমাগো শিল্পীর লিগা সহায়তার হাত বাড়াইছে সৃষ্টকর্তা তাগো দিকে অবশ্যই তাকাইবো। নিপুণ আপায় (চিত্রনায়িকা নিপুণ) অনেক সহযোগিতা করছে। এইটা অনেক আনন্দের, আর আপন দ্যাখেন অনেক বড় বড় আর্টিস্ট এই সময় কিন্তু হাত গুটায় বই রইছে। যাই হোক শিল্পীরা কোনো রকম ঈদ পালন করতে পারতাছে এইটা অনেক আনন্দের। ঈদের আগে শিল্পীরা দফা দফায় সহায়তা পাইছে। আপাতত চিন্তা নাই। সবার লিগা দোয়া করবেন ভাইজান (সাংবাদিকের উদ্দেশে)।

পর্দায় ভিলেন হলেও বাস্তবের নিরঞ্জন একেবারে ভিন্ন। নিরঞ্জন থাকেন ঢাকার অদূরে কেরানীগঞ্জের মেকাইল নামক গ্রামে। দুই ছেলে এক মেয়ে। ছেলে বড়টা ধানমন্ডির একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। ছোট ছেলে ক্লাস এসএসসি দেবে। আর মেয়ে এবার অষ্টম শ্রেণীতে। পরিবার সম্পর্কে বলতে গিয়ে নিরঞ্জন বলেন, আমার সব পোলাপান এ প্লাস মার্কা ভাইজান। ছোট পোলায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পাইছে। আমার মাইয়া সমাপনীতে এ প্লাস পাইছে। দোয়া করবেন ভাইজান।

কেএ/ডিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: