প্রচ্ছদ / রাজনীতি / বিস্তারিত

মো. ইলিয়াস

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

‘জোবায়দা রহমানের দেশে আসা প্রয়োজন, কিন্তু সরকার তাকে আসতেই দিবে না’

   
প্রকাশিত: ৬:৪৫ অপরাহ্ণ, ২ ডিসেম্বর ২০২০

বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. এহসানুল হক মিলন বলেছেন, আজকে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করতে গিয়ে আমরা স্বাধীনতার মূল নীতি থেকে অনেক দূরে পিছিয়ে গেছি। আজকে দেশে ন্যায় বিচার নেই, গণতন্ত্র নেই। যখন আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করতে যাব তখন আমাদের নেত্রী বিনা বিচারে কারাগারে রয়েছেন। তিনি মুক্ত নয়।

তিনি বলেন, আমাদের নেতা তারেক রহমান তিনি দেশের বাইরে মিথ্যে মামলার জন্য নির্বাসিত হতে হয়েছে। আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করতে পারি কালো পতাকা নিয়ে, মিছিল করে, প্রতিবাদ জানিয়ে। যে আমাদের দেশে স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতেই হবে।

বুধবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের দ্বিতীয় তলায় তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এহসানুল হক মিলন বলেন, আমরা ১৩ বছর যাবত কষ্ট করছি মামলা হামলা নিয়ে। আর কতদিন আমরা এভাবে কষ্ট করব, সেই প্রশ্নের উত্তর আমাদেরকে খুঁজে বের করতেই হবে। এ প্রশ্নের উত্তর হয়েছে আগামীতে আন্দোলনের বিকল্প আমাদের কিছুই নেই।

নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিএনপির নেতা কর্মীরা ভোট দিতে যেতে পারে না তারপরও তিনি (সিইসি) বলেন সুষ্ঠু ভোট হয়েছে।

তিনি বলেন, সিইসি নুরুল হুদার বলেছেন তিনি যদি আমেরিকা যেতে পারতেন তাহলে তাদেরকে নির্বাচন শিখাতে পারতেন।

তিনি বলেন, আমি ধন্যবাদ জানাই যে সার্চ কমিটিকে যারা এই সিইসি নুরুল হুদা কে খুঁজে বের করেছেন। যিনি এই ধরনের কথা বলতে পারেন আর বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে একটি ঠুটোঁ জগন্নাথ বানিয়েছেন। এ নির্বাচন কমিশনকে আমরা মানি না মানবো না। এ নির্বাচন কমিশনকে পুনর্গঠন করতে হবে, তাছাড়া নির্বাচনে যাওয়া যেতে পারে না এটাই আমরা বিশ্বাস করি। এ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আমাদের আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

‘আজকে আমরা দেখতে পাই ভারতের ইন্দিরা গান্ধীর ছেলে রাজীব গান্ধী, রাজীব গান্ধীর স্ত্রী সোনিয়া গান্ধী, সোনিয়া গান্ধীর ছেলে রাহুল গান্ধী তারা ভারতীয় কংগ্রেসের নেতা হয়েছিলেন। হয় নাই কি?। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ছেলে তারেক রহমান। তিন তিন বারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান। তাকে যদি দেশে আসতেই না দেওয়া হয়। মামলা করে তাকে দেশের বাইরে রেখে বিএনপিকে যেন ভঙ্গুর করা হয় সেই অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।’

এহসানুল হক মিলন বলেন, তাহলে কী তারেক রহমানের স্ত্রী জোবায়দা রহমান ও তার কন্য জায়মা রহমান রাজনীতি করতে পারে না নিশ্চয়ই পারে। আমি মনে করি এই দেশে জোবায়দা রহমানকে এখনই আসার প্রয়োজন রয়েছে। তারা (সরকার) তাকে আসতেই দিবে না।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন – বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তানভীর হুদা, নির্বাহী কমিটির সদস্য খন্দকার মারুফ হোসেন, রফিক শিকদার ও ওলামা দলের সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

এমআর/এনই

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: