ডিগ্রি না নিয়েও ‘বিশেষজ্ঞ’ যারা!

   
প্রকাশিত: ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ, ৮ জানুয়ারি ২০২০

কেউবা মেডিসিন, কেউবা প্রসূতি-মহিলা রোগ বিশেষজ্ঞ। কেউবা আবার শিশু বিশেষজ্ঞ। আরও রয়েছেন সাধারণ সার্জারি বিশেষজ্ঞ। চিকিৎসাও দিচ্ছেন রোগীদের। তবে অদ্ভুত বিষয় হল কারোরই নেই এমবিবিএস ডিগ্রি। খোঁজ নিয়ে জানা যায় টেকনিশিয়ান থেকে একজন এখন বিশেষজ্ঞ ‘মহিলা দন্ত চিকিৎসক’। আরেকজন আয়া থেকে এখন প্রসূতি পরামর্শক। খুলেছেন ক্লিনিক-চেম্বার। প্রসূতিদের নিয়মিত ডেলিভারিও করে আসছেন। হয়ে ওঠেছেন মহাবিশেষজ্ঞ। চিকিৎসকের নাম-পদবি ব্যবহার করে মানুষের সঙ্গে এমন প্রতারণা করে আসছেন চট্টগ্রামের হাটহাজারীর মির্জাপুর ইউনিয়নের সরকারহাট এলাকার ডিসি রোডের মহাজন মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় ক্লিনিক-চেম্বার থাকা কথিত চিকিৎসক- এম ফয়েজ আহমেদ মিলন, রাজিয়া সুলতানা পিংকি, মমতাজ কামাল ও মীরা মল্লিক।

মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল আমীন ভুয়া ডাক্তার পদবি ব্যবহার করে প্রতারণা করায় এম ফয়েজ আহমেদ মিলন ও রাজিয়া সুলতানা পিংকিকে ২৫ হাজার করে ৫০ হাজার টাকা এবং মমতাজ কামালকে ১০ হাজার ও মীরা মল্লিককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। তাছাড়া তিনটি ক্লিনিক বন্ধ করে দেওয়া হয়। রুহুল আমীন বলেন, ‘অভিযানে দেখা যায় তিনটি ক্লিনিক খুলে বিভিন্ন ব্যক্তি নিজ নামের সঙ্গে ডাক্তার পদবি ব্যবহার করে বিশেষজ্ঞ হয়ে নানা ধরনের চিকিৎসার নামে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছেন। এমবিবিএস ডিগ্রি না থাকা সত্ত্বেও মেডিসিন, প্রসূতি, মহিলা রোগ বিশেষজ্ঞ, শিশু বিশেষজ্ঞ, সাধারণ সার্জারি ইত্যাদি শব্দ যোগ করে চিকিৎসা করে আসছেন। টেকনিশিয়ান হয়েও ‘মহিলা দন্ত চিকিৎসক’ পদবি ব্যবহার করেও মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছেন। আয়া হিসেবে কাজ করে এখন হয়ে গেছে প্রসূতি পরামর্শক। নিয়মিত ডেলিভারিও করাচ্ছেন। ভুয়া ডাক্তার পদবি ব্যবহার করে প্রতারণার করার অপরাধে বাংলাদেশ মেডিসিন এবং ডেন্টাল কাউন্সিল আইন-২০১০ এর ২৯ ধারায় তাদেরকে জরিমানা এবং কথিত ক্লিনিকটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।’ জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

এফএএস/এসএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: