ঢাবিতে মোশতাক-জিয়াকে ঘৃণা প্রদর্শন করল মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ

   
প্রকাশিত: ১২:৩৫ পূর্বাহ্ণ, ১৫ আগস্ট ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মমভাবে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত পাকিস্তানি দোসরদেরকে ঘৃণা প্রদর্শন করেছে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি সংলগ্ন রাজু ভাস্কর্যের সামনে স্তম্ভ তৈরি করে জুতা নিক্ষেপের মাধ্যমে ঘৃণা প্রদর্শন করে সংগঠনের নেতাকর্মীরা। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ঘৃণা প্রদর্শন শেষে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আল মামুন বলেন, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। বাঙালি জাতির জীবনে সবচেয়ে বেদনা ও কষ্টের দিন। এই দিনে আমরা হারিয়েছি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে। মহান মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত অপশক্তি পাকিস্তানের দোসররাই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের সেই কালো রাত্রিতে ধানমণ্ডির বত্রিশ নম্বর বাড়িতে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে জড়িত স্বঘোষিত খুনিদের বিচার হলেও আজও পর্যন্ত এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল কুশীলবদের বিচার হয়নি। অবিলম্বে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিশন গঠন করে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের মদদদাতা মূল কুশীলবদের খুঁজে বের করে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ।

মামুন আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনি মোশতাক-জিয়া চক্রের মুখোশ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ। ঘৃণা প্রদর্শনের মাধ্যমেই প্রমাণিত হয় নতুন প্রজন্ম এদেরকে কতটা ঘৃণা করে। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন এদেশের মানুষ আইএসআইয়ের এজেন্ট খুনি জিয়া-মোস্তাককে ঘৃণার চোখে দেখবে। বঙ্গবন্ধুর রক্তের ঋণ আমরা কখনোই শোধ করতে পারব না।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল, সাধারণ সম্পাদক মো. আল মামুন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সনেট মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত তূর্য, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মাকসুদ হাওলাদার, চকবাজার থানার সভাপতি আশরাফ উদ্দিন স্বাধীনসহ প্রমুখ।

 

কেএ/ডিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: