প্রচ্ছদ / সারাবিশ্ব / বিস্তারিত

তিন তিনবার সতর্কবার্তা দেওয়ার পরেও পাত্তা দেননি পাইলট!

   
প্রকাশিত: ১০:০৮ অপরাহ্ণ, ২৫ মে ২০২০

তিন তিনবার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার থেকে সতর্ক করা হয়েছিল পাইলটকে। বারবার বলা হয়েছিল উচ্চতার সঙ্গে বিমানের গতির সামঞ্জস্য রাখতে। কিন্তু সেসবে নাকি পাত্তাই দেননি পাইলট। কথা না শুনে পাল্টা জবাবে তিনি বলেছিলেন, ‘সব ঠিক আছে। আমি সামলে নেব।’ আর পাইলটের এই অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসের কারণেই জীবন দিতে হয়েছে ৯৭ যাত্রীকে। করাচি বিমানবন্দরে নামার আগেই আছড়ে ভেঙে পড়ে পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের এয়ারবাস এ-৩২০। যাত্রী এবং ক্রু মেম্বার মিলিয়ে মোট ৯৯ জন ছিলেন বিমানে। মৃত্যু হয়েছে ৯৭ জনের। ভাগ্যের জোরে বেঁচে গিয়েছেন দু’জন। সোমবার তদন্তকারী কর্মকর্তাদের দেওয়া এক রিপোর্টে এমনটাই জানা গেছে।

গত শুক্রবার লাহোর থেকে করাচির উদ্দেশে রওনা হয়েছিল পিকে-৮৩০৩ বিমানটি। করাচির জিন্না আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের আগেই ঘটে দুর্ঘটনা। বিমানবন্দর থেকে প্লেন যখন ১৫ নটিক্যাল মাইল দূরে তখন প্রথম ওয়ার্নিং বা সতর্কবার্তা পাঠায় এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার বা এটিসি। ৭ হাজার ফুটের বদলে তখন প্লেন উড়ছিল ১০ হাজার ফুট উচ্চতায়।

দ্বিতীয়বার সতর্কবার্তা আসে যখন বিমানবন্দর থেকে প্লেনের দূরত্ব ১০ নটিক্যাল মাইল। সেসময় ৩ হাজার ফুটের বদলে বিমান উড়ছিল ৭ হাজার ফুট উচ্চতায়। তবে পরপর দুটো সতর্কবার্তার পরেও কোনো হেলদোল দেখাননি পাইলট। অবতরণের ঠিক আগের মুহূর্তেও এটিসি থেকে ওয়ার্নিং পাঠানো হয় পাইলটকে। জবাবে পাইলট জানান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি চিন্তিত নন বরং সব সামলে ল্যান্ডিংয়ের জন্য প্রস্তুত তিনি। এরপরেই ঘটে সেই ভয়াবহ দুর্ঘটনা। করাচির বিমান দুর্ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে এরই মধ্যেই। সেই তদন্তের একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে বিমানে আড়াই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ওড়ার জন্য জ্বালানি ছিল। আর প্লেন উড়েছিল মাত্র দেড় ঘণ্টা। পাইলটের ভুল নাকি যান্ত্রিক গোলযোগ, ঠিক কী কারণে ওই বিমানটি ভেঙে পড়েছিল তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা।

এসএ/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: