প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

মাস্টারমাইন্ড স্কুলের সামনে মানববন্ধন

দিহানের তিন বন্ধুকে বিচারের আওতায় আনার দাবি

   
প্রকাশিত: ৩:০১ অপরাহ্ণ, ১৪ জানুয়ারি ২০২১

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর কলাবাগানে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি ফারদিন ইফতেখার দিহানের তিন বন্ধুকে প্রয়োজনে আবারো জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তারা। অভিযুক্ত ফারদিন ইফতেখার দিহানের তিন বন্ধুকেও বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন লিগ্যাল এডভোকেসি ও লবি পরিচালক এড. মাকসুদা আক্তার।

আজ বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় ধানমন্ডির মাস্টারমাইন্ড স্কুলের সামনে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এ দাবি করেন। মাকসুদা আক্তার বলেন, ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে এজাহারের প্রেক্ষিতে দিহানের তিন বন্ধুকেও বিচারের আওতায় আনতে হবে। তাদের বিস্তারিত নাম-পরিচয় প্রকাশ করতে হবে।

তিনি বলেন, সুষ্ঠু বিচার প্রাপ্তিতে যেন কোনো বাধার সৃষ্টি না হয়। বিচারকার্যে কোনো প্রভাবশালী মহল যেন প্রভাব ফেলতে না পারে- এ বিষয়ে প্রশাসনকে আরো যত্নশীল হতে হবে। মাকসুদা আক্তার বলেন, আনুশকাকে ধর্ষণ শেষে হত্যার ঘটনায় সঠিক সময়ে, দ্রুততার সঙ্গে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার করা হোক। নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে বিচার হোক।

এ সময় আনুশকার সহপাঠী এবং বন্ধু নেহা জামান বলেন, এই ঘটনায় ৪ জন উপস্থিত থাকলেও মামলার এজাহারে তাদের নাম নেই। তাদের নাম পরিচয় নিশ্চিত করে সুষ্ঠু বিচার সুনিশ্চিত করতে হবে। মানববন্ধনে আনুশকার সহপাঠীরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, তার মা শাহনুরী আমিন, লিগ্যাল এডভোকেসি ও লবি’র সাধারণ সম্পাদক, মঞ্জু ধর, ঢাকা মহানগর কমিটির সহ সাধারণ সম্পাদক রেখা সাহা প্রমুখ।

এর আগে, রাজধানীর কলাবাগানে অবস্থিত ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল মাস্টারমাইন্ডের ‘ও’ লেভেল পড়ুয়া ছাত্রী আনুশকাহ নূর আমিনকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আনুশকাহর বয়ফ্রেন্ড দিহানসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে কলাবাগানের ডলফিন গলিতে দিহানের বাসায় এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। পরে অসুস্থ আনুশকাহকে ধানমন্ডির মডার্ণ আনোয়ার খান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে দিহানসহ চার বন্ধু। পরে বিকালে হাসপাতালে আনুশকাহ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা বলেন, আমার মেয়ের এ বছর ও লেভেল পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল। পরীক্ষার সাজেশন দেয়ার কথা বলে ওকে ডেকে নিয়ে যায়। তিনি আরো বলেন, ওরাই আমাকে ফোন দিয়ে বলেছে আন্টি ও (ভূক্তভোগী) অসুস্থ। তখন আমি বলেছি ভালো মেয়ে গেল, অসুস্থ কীভাবে হয়েছে। বলেছে আমাদের সঙ্গেই ছিল তবে এখন সেন্সলেস হয়ে পড়েছে। পরে ওরাই আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতাল এ নিয়ে যায়। আমি হাসপাতালে পৌঁছার আগেই আবার ফোন দিয়ে বলে ও (ভূক্তভোগী) মারা গেছে। হাসপাতালে গিয়ে দেখি মেয়েটার প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ হয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: