প্রচ্ছদ / রাজনীতি / বিস্তারিত

মো. ইলিয়াস

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

দুর্বিষহ মাষ্টারপ্ল্যান নিয়ে কাজ করছে সরকার: রিজভী

   
প্রকাশিত: ৬:২৪ অপরাহ্ণ, ১৬ জানুয়ারি ২০২০

ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ধারাবাহিকভাবে বিএনপি নেতাকর্মীসহ প্রার্থী ও সমর্থকদের ওপর চলছে জুলুম-নির্যাতন বলে মন্তব্য করেছেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। তিনি বলেন, ‘ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর দ্বারা বিএনপি নেতাকর্মীদের গ্রেফতার শুরু হয়েছে। গতকাল সন্ধ্যায় বিএনপি’র সহ-যুব বিষয়ক সম্পাদক মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজকে লালবাগ কেল্লার মোড় থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।’ বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) রাজধানীর নয়াপল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় গ্রেফতারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে তার নি:শর্ত মুক্তি দাবি জানান রিজভী।

ইভিএম দিয়ে ডিজিটাল ভোট ডাকাতি হবে উল্লেখ করে বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা আশংকা করছি চট্টগ্রামের মতো ঢাকার দুই সিটির ভোটেও ভোটের আগে বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি-ধমকি, হামলা আর ভোটের দিন ভোটকেন্দ্রে আসতে নিষেধ করা হচ্ছে। ধানের শীষের প্রার্থীর সমর্থক ও ভোটারদের প্রতিনিয়ত নিগৃহীত করা হচ্ছে। বিগত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাতের ভোট ডাকাতি উপহার দেয়ার জন্য মুচলেকা দিয়ে শেখ হাসিনার কাছ থেকে দামি বিএমডব্লিউ পেয়েছিলেন সিইসি হুদা।’ তিনি আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার প্রাণনাশের উদ্দেশে প্রায় দুই বছর যাবত বিনা অপরাধে বন্দী রাখা হয়েছে। বিনা চিকিৎসায় তাঁকে পঙ্গু করে ফেলা হয়েছে। ৭৫ বছর বয়স্ক দেশনেত্রীর জীবন প্রতি মূহুর্তে শংকার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। কারণ অন্যায়ের বিরুদ্ধে বারবার জোরালোভাবে দাঁড়ানো এই নেত্রীকে কোনভাবেই সহ্য করতে পারছে না সরকার ও সরকারপ্রধান। এজন্য এক দুর্বিষহ মাষ্টারপ্ল্যান নিয়ে সরকার কাজ করছে।’

শেষে প্রতিহিংসার পথ পরিহার করে অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে রিজভী বলেন, ‘বর্তমান সরকারপ্রধান মতভিন্নতাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করেন বলেই দেশনেত্রী আজ কারাগারে। দেশনেত্রীকে বন্দী রাখা দেশ-কাল ও সভ্যতার পক্ষে কলঙ্কের। সেই কলঙ্ক অক্ষুন্ন রাখার দায়িত্ব নিয়েছে ক্ষমতা দখলকারী আওয়ামী সরকার। একজন বয়স্ক, গুরুতর অসুস্থ মহিলা হিসাবে প্রচলিত আইনে তাঁর জামিন অগ্রাধিকারমুলকভাবেই প্রাপ্য। তাঁর প্রায় দুই বছর সাজা খাটা হয়ে গেছে। জেলখানায় যারা একাধিক বছর কারাভোগ করেন তাদের সাজার কার্যকারিতা শর্তহীনভাবে নানাবিধ বিবেচনায় স্থগিত করা হয়।’

আরএএস/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: