প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

নওগাঁয় ৫ শতাধিক কোয়ারেন্টাইন

   
প্রকাশিত: ১:০২ অপরাহ্ণ, ২৭ মার্চ ২০২০

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে পুরো বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও দিন দিন বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। দেশের নওগাঁ জেলার ১১ উপজেলার মধ্যে তিন উপজেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৭ জনকে নতুন করে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকাল ১০টা পর্যন্ত সময়ে এই ৭ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে।

এই সময়ে ১৪ দিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় ১৭১ জনকে হোম কোয়ারেন্টিন থেকে মুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে এ জেলায় হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন ৫২৯ জন। এ জেলায় এ পর্যন্ত সর্বমোট হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছিল ১ হাজার ৩শ ২৭ জনকে। এদের মধ্যে সর্বমোট ছাড়পত্র পেয়েছেন ৭৯৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নওগাঁ সদর উপজেলায় ২ জন, মহাদেবপুর উপজেলায় ২ জন এবং ধামইরহাট উপজেলায় ৩ জনকে নতুন করে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে। আর উপজেলা ভিত্তিক গত ২৪ ঘণ্টায় মেয়াদ শেষ হওয়ায় ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে নওগাঁ সদর উপজেলায় ৩৭ জন, রানীনগরে ২০ জন, আত্রাইয়ে ১৬, মহাদেবপুরে ২২, মান্দায় ১৬, বদলগাছিতে ১৮, পত্নীতলায় ১৩, ধামইরহাটে ১৩, নিয়ামতপুরে ৬, সাপাহারে ৮ এবং পোরশা উপজেলায় ২ জন।

এদিকে জেলা প্রশাসক মো. হারুন-অর-রশীদ জানিয়েছেন, জেলার সকল সাপ্তাহিক হাট বাজার, হোটেল ও রেস্তোরা আপাতত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে কেউ ইচ্ছা করলে এসব হোটেল ও রেস্তোরা থেকে তাঁদের প্রয়োজনীয় খাবার সামগ্রী ক্রয় করে বাড়ি নিয়ে যেতে পারবেন। হোটেল রেস্তোরায় বসে আড্ডা দিয়ে খাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা জারী করা হয়েছে। অপরদিকে নওগাঁ চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির পক্ষ থেকে শহরের মুদি দোকান ও ঔষধের দোকান ছাড়া সব রকমের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সন্ধ্যার পর থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। নওগাঁ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মো. ইকবাল শাহরিয়ার রাসেল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে সরকার কর্তৃক সাধারণ ছুটি ঘোষিত হওয়ায় নওগাঁ শহরের রাস্তাঘাট যানবাহন এবং জনশূন্য হয়ে পড়েছে। দু’একটি মোটর সাইকেল এবং ব্যক্তিগত গাড়ি ছাড়া কোন জন পরিবহন চলছেনা। মুদি দোকান এবং ঔষধের দোকান ছাড়া সকল দোকান পাট, হোটেল রেস্তোরা এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। নওগাঁ শহরে সেনাবাহিনী টহল দিচ্ছে।

আরএএস/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: