প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

এম. সুরুজ্জামান

শেরপুর প্রতিনিধি

নকলায় ইউএনও’র হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেল শিক্ষার্থী

   
প্রকাশিত: ৬:৩৬ অপরাহ্ণ, ৫ আগস্ট ২০২০

ছবি: প্রতীকী

শেরেপুরের নকলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জাহিদুর রহমানের হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেলো ১৬ বছর বয়সী ১০ম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থী। বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার ২নং নকলা ইউনিয়নের ছত্রকোনা এলাকায় এ বিবাবহ বন্ধ করা হয়।

তাছাড়া করোনা কালীন সময়ে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্য বিধির প্রতি খেয়াল না রেখে বিয়ের আয়োজন করায় ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ইউএনও জাহিদুর রহমান কনের বাবাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। সেইসাথে মেয়ে প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিবেন না মর্মে কনের বাবা-মায়ের কাছ থেকে মুচলেকা নেয়া হয়।

ভ্রাম্যমান আদালত ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কনে উপজেলার ছত্রকোনা এলাকার আক্তার হোসেনের মেয়ে ও নকলা শহরের অঙ্কুর বিদ্যাপীঠ নামে একটি বেসরকারি স্কুলের ১০ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। একই এলাকার মৃত সেকান্দর আলীর ছেলে হাসেন আলীর সাথে তার বিয়ের আয়োজন চলছিলো।

এলাকার কোন ছেলে-মেয়ে প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার আগে যেন বিবাহ না হয়, সে দিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্য ও উপস্থিতিদের মৌখিক অঙ্গীকার করান ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ইউএনও জাহিদুর রহমান। ইউএনও জাহিদুর রহমান বলেন, নকলাকে জেলার প্রথম বাল্যবিবাহ মুক্ত উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এ উপজেলায় বাল্যবিবাহতো অনেক দূরের কথা, বাল্যবিবাহ সম্পর্কিত কোন আয়োজনকেও বরদাস্ত করা হবেনা। নকলায় বাল্যবিবাহ সম্পর্কিত কোন ধরনের ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট পরিবারের অভিভাবক ও বরসহ আয়োজকদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে বলে কঠুর হুশিয়ারী দেন তিনি। এবিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগসহ বাল্যবিবাহ নিরোধে সংশ্লিষ্টরা সদা তৎপর রয়েছেন বলে জানান ইউএনও।

এমআর/এনই

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: