প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

নির্মাণাধীন ভবনে মিলল গুপ্তধন, নিয়ে পালাল ৫ শ্রমিক

   
প্রকাশিত: ৯:১০ অপরাহ্ণ, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০

রাজশাহীর বাগমারায় নির্মাণাধীন একটি পাঁচতলা ভবনের টয়লেটের হাউস খননের সময় উদ্ধারকৃত একটি ‘গুপ্তধনের কলসি’ নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। উদ্ধারকৃত ওই কলসি নিয়ে এখনও আত্মগোপন করে আছেন ভবন নির্মাণের সঙ্গে জড়িত পাঁচ শ্রমিক। জানা গেছে, চাঁনপাড়া মহল্লার মিষ্টি ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন তার পুরনো টিনশেড বাড়িটি ভেঙে সেখানে একটি পাঁচতলা ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করেন। আরসিসি পিলার দিয়ে ভবন নির্মাণের কাজ কিছু দূর এগিয়ে যায়। গত ১১ ফেব্রুয়ারি নির্মাণাধীন ভবনসংলগ্ন স্থানে একটি টয়লেটের হাউস তৈরির জন্য খননকাজ শুরু করেন পাঁচ শ্রমিক।

নিখোঁজ শ্রমিকরা হলেন- চাঁনপাড়া মহল্লার ইবর উদ্দিনের ছেলে আলতাফ হোসেন (৩২) ও একই এলাকার নির্মাণশ্রমিক ওসমান (৩৫), দেউলিয়া গ্রামের নির্মাণশ্রমিক রহিম উদ্দিন (৪৫)। অন্য দুই শ্রমিকের নাম জানা যায়নি। ওই দিন সকাল থেকেই হাউস নির্মাণের জন্য খননকাজ শুরু করেন শ্রমিকরা। দ্রুত এগিয়ে চলে খননকাজ। বাড়ির মালিক আলমগীর হোসেন খননকাজ তদারকির জন্য বাড়ির সদস্যদের দায়িত্ব দিয়ে তিনি একটি ইসলামী জলসায় দোকান নিয়ে চলে যান।

এদিকে বেলা ৩টার দিকে হাউস খননের প্রায় শেষ পর্যায়ে এলে শ্রমিকরা সেখানে একটি বিশাল আকৃতির মাটির কলসের সন্ধান পান। কলসটি ইট দিয়ে ঘিরে রাখা ছিল। স্থানীয়দের মতে, মাটির কলসির সন্ধান পাওয়ার পর শ্রমিকরা বেশ কৌতূহলী হয়ে পড়েন। বিষয়টি বাড়ির নারী সদস্যরা আঁচ করতে পেরে আলমগীরকে মোবাইল ফোনে এ খবরটি জানান। আলমগীর তড়িঘড়ি করে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরে জানতে পারেন শ্রমিকরা উদ্ধার হওয়া ওই মাটির কলসটি নিয়ে উধাও হয়ে গেছেন। এ সময় তিনি শ্রমিকদের মোবাইল ফোনে বারবার কল করে তাদের ফোন বন্ধ পান।

বাড়ির মালিক আলমগীর হোসেন জানান, শ্রমিকদের সঙ্গে তার পাঁচতলা ভবন নির্মাণের চুক্তি হয়েছে। প্রায় মাসখানেক ধরে তারা কাজ করছেন। ওই দিন হাউস খনন করতে গিয়ে একটি মাটির কলসি পাওয়া যায়। পরে শ্রমিকরা বাড়ির লোকজনের দৃষ্টি এড়িয়ে কৌশলে কলসটি নিয়ে আত্মগোপন করেন। তবে কলসে আসলে কি আছে তা কেউ দেখেইনি। বাগমারা থানার ওসি আতাউর রহমান সময় সংবাদকে জানান, এই ব্যপারে বাড়ির মালিক কোন অভিযোগ জানায়নি। তবে শ্রমিকদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। শ্রমিকদের মধ্যে ৩ জনের বাড়ি নাটোরে। তাদের পাওয়া গেলে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

কেএ/ডিএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: