প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

এস হোসেন আকাশ

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের ইটনায়

নৌকাডুবিতে নিখোঁজ নাতবৌ, নাতনীসহ এক পরিবারের তিনজনের লাশ উদ্ধার

   
প্রকাশিত: ১০:৫৩ অপরাহ্ণ, ৩ আগস্ট ২০২০

ছবি: প্রতীকী

কিশোরগঞ্জের ইটনায় ঝড়োবাতাসে ঢেউয়ের তোড়ে যাত্রীবাহী একটি ইঞ্জিনচালিত ছোট নৌকা ডুবে নিখোঁজ হওয়ার পরদিন সুমাইয়া (১৮) নামে এক নববধূ, হীরামনি (৫) নামে এক শিশু ও হাসান আলী (৭০) নামে এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার (২ আগস্ট) বিকালে উপজেলার চৌগাঙ্গা ইউনিয়নের মাগুরী এলাকার ধনু নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ হওয়ার পর সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে একে একে এই তিনজনের লাশ উদ্ধার করে স্থানীয় ডুবুরিদল।

মর্মান্তিক এই নৌদুর্ঘটনায় নিহত তিনজনই উপজেলার চৌগাঙ্গা ইউনিয়নের মাওরা গ্রামের বাসিন্দা ও এক পরিবারের সদস্য।

এর মধ্যে নিহত হাসান আলী মাওরা গ্রামের মৃত আইয়ুব আলীর ছেলে। পরিবারের বাকি দুইজনের মধ্যে নিহত নববধূ সুমাইয়া নিহত হাসান আলীর নাতি মো. মোখলেস মিয়ার স্ত্রী আর শিশু হীরামনি নিহত হাসান আলীর বড় মেয়ে নূরুন্নাহারের মেয়ে। হীরামনির বাবার নাম বরজু মিয়া।

অন্যদিকে সুমাইয়া পার্শ্ববর্তী কুর্শি গ্রামের খোকন মিয়ার মেয়ে। মাত্র মাস দেড়েক আগে মোখলেস মিয়ার সাথে সুমাইয়ার বিয়ে হয়।

নিহত হাসান আলীর ছেলে মো. খোকন মিয়া জানান, ঈদের পরদিন রোববার (২ আগস্ট) দুপুরের দিকে ১২ জন আত্মীয়স্বজনসহ তার বাবা হাসান আলী একটি ইঞ্জিনচালিত ছোট্ট নৌকা নিয়ে মাওরা গ্রাম থেকে পাশের কুর্শি গ্রামে মেয়ে সামসুন্নাহারের বাড়িতে যান।

সেখান থেকে বিকালে ফেরার সময় সাড়ে ৫টার দিকে বাড়ির কাছাকাছি এসে ঝড়োবাতাসে ঢেউয়ের তোড়ে নৌকাটি ধনু নদীতে ডুবে যায়।

এ সময় অন্যরা সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও হাসান আলী, তার নাতবৌ সুমাইয়া ও নাতিন হীরামনি পানিতে ডুবে গিয়ে নিখোঁজ হয়। স্থানীয়রা অনেক খোঁজাখুজি করেও ওইদিন আর তাদের কোন সন্ধান করতে পারেননি।

পরদিন সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলের কাছ থেকেই হাসান আলীর লাশ উদ্ধার করেন। পরে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সুমাইয়া ও হীরামনির লাশ উদ্ধার করা হয়।

ইটনা থানার ওসি মোহাম্মদ মুর্শেদ জামান বিপিএম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, লাশ উদ্ধারের পর পারিবারিকভাবে বেলা ১১টার দিকে এক সঙ্গেই তিনজনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

আরএএস/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: