প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

পানি কমছে ধীরগতিতে, কমেনি দুর্ভোগ

   
প্রকাশিত: ১১:০১ পূর্বাহ্ণ, ৪ আগস্ট ২০২০

নদ-নদীর পানি কমায় সারাদেশের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও দুর্ভোগ কমেনি বানভাসিদের। দুর্গত এলাকার রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অনেক স্থানে ভেঙে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। ধীরগতিতে কমছে প্রধান প্রধান নদ-নদীর পানি। তাই বন্যার পানিও নামছে ধীরে। ছড়িয়ে পড়ছে চর্মরোগসহ পানিবাহিত নানা রোগ।

বন্যায় শরীয়তপুরের প্রায় ৫ লাখ মানুষের দুর্ভোগ চরমে। অনেক এলাকায় ভেঙে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। দেখা দিয়েছে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট। মানিকগঞ্জ, ফরিদপুর, রাজবাড়িতেও লাখো মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। মধ্যাঞ্চলের অনেক জেলাতেই প্রতিদিন প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। নদ- নদীর পানি ঢুকছে লোকালয়ে। তলিয়ে গেছে সড়ক। নিরাপদ আশ্রয়ে পরিবার-পরিজন ও গবাদিপশু নিয়ে ছুটছে মানুষ। টাঙ্গাইলে প্লাবিত হয়েছে নতুন নতুন এলাকা। পানিবন্দী ১১ উপজেলার প্রায় ৭ লাখ। তবে বাসাইল উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়ায় নিদারুণ কষ্টে দিন পার করছেন বানভাসিরা। ঢাকার আশপাশেও পরিস্থিতি অপরিবর্তিত।

গাজীপুরের কালিকৈরের রাস্তাঘাট প্লাবিত হওয়ায় চলাচলের একমাত্র ভরসা এখন নৌকা। জামালপুরে পানি কমতে শুরু করলেও গতি মন্থর। কিছু এলাকার লোকজন ফিরতে শুরু করেছেন বাড়িঘরেও। কুড়িগ্রামে প্রায় তিন লাখ মানুষ পানিবন্দি। নয় উপজেলার মধ্যে চিলমারীর বেশিরভাগ এলাকা এখনও বন্যার পানিতে তলিয়ে। একই অবস্থা গাইবান্ধা, বগুড়া, সিরাজগঞ্জে। দুর্গত এলাকায় খাবার ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট।

আরএএস/সাএ

বিডি২৪লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মন্তব্য: